Uncategorized

প্রবীণ অধিকার সুরক্ষায় সাংস্কৃতিক প্রচারাভিযান কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মানিকগঞ্জের ডায়মন্ড কনভেনশন সেন্টারে প্রবীণ অধিকার সুরক্ষায় সাংস্কৃতিক প্রচারাভিযান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পর্যালোচনা ও অংশগ্রহণমূলক শিখন কর্মশালা এবং সংবাদ মাধ্যম প্রতিনিধি সম্মাননা প্রদান কার্য়ক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জনাব অজয় কুমার রায়, সভাপতি, প্রবীণ অধিকার সুরক্ষায় মানিকগঞ্জ জেলা ওয়ার্কিং কমিটি, বিশেষ অতিথি ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলার প্রবীণ কল্যাণার্থে গঠিত সংগঠন জনারণ্যের আহবায়ক জনাব ইকবাল হোসেন কচি, কালিয়াকৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জনাব ইন্তাজ উদ্দিন, জনাব দবির উদ্দিন, জনাব হাবিবুর রহমান হাবিব,সভাপতি, হাটিপাড়া ইউনিয়ন ওয়ার্কিং কমিটি, কাজী রহিমা বেগম, সাবেক সদস্য, বেতিলা-মিতরা ইউনিয়ন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বারসিক মানিকগঞ্জ রিসোর্স সেন্টার এর জেলা কো-অর্ডিনেটর জনাব জাহাঙ্গীর আলম। তিনি প্রকল্পটির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, মানিকগঞ্জ জেলায় ৩ বছরব্যাপী প্রবীণ অধিকার সুরক্ষায় সাংস্কৃতিক প্রচারাভিযান কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ সকলের সামনে তুলে ধরেন। পরবর্তীতে, হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর প্রজেক্ট অফিসার পবিত্র মান্দা হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে সংস্থাটির প্রবীণদের জন্য কাজ করার কারণ ও বাস্তবায়নের চিন্তা-চেতনার কথা ব্যক্ত করেন। আলোচনা পর্ব শেষে, প্রবীণ অধিকার সুরক্ষায় সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন তৈরীতে অবদান রাখায় মানিকগঞ্জ প্রেস ক্লাবের ৬ জন গণমাধ্যম প্রতিনিধিবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- বিএম খোরশেদ, যমুনা টেলিভিশন, গাজী ওয়াজেদ আলম লাবু, মাছরাঙা টেলিভিশন, সুরুয খান, দৈনিক ভোরের কাগজ, মানবেন্দ্র চক্রবর্তী, দৈনিক ইত্তেফাক, শাহজাহান বিশ্বাস, দ্যা নিউ এজ এবং আবুল বাশার আব্বাসী, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি।
হেল্পএজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’র সার্বিক সহযোগিতা ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন’র এর আর্থিক সহায়তায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলার ৩উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ২৪টি নির্বাচিত সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যবৃন্দসহ সুশীল সমাজ প্রতিনিধিবৃন্দ। তাদের স্বকীয় অংশগ্রহণে মুক্ত-আলোচনা পর্ব পরিচালিত হয়। তাঁরা তিন বছরে প্রবীণ অধিকার বিষয়ে সাংস্কৃতিক প্রচার কার্যে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা, শিখন-অর্জন, ভাল লাগা-মন্দ লাগার অনুভূতি জানান, সাংস্কৃতিক প্রচারের ফলে এলাকা মানুষের মানুষিক পরিবর্তন তথা পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে স্বচেষ্ট হবার নানা উদাহরণের কথা উঠে আসে। শিল্পীদের মনোজ্ঞ সাং¯কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন ও প্রকল্প কর্মকর্তাদের বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button