প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা জালিয়াতির অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর পবা উপজেলার হুজুরি পাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত শিশাপাড়া সরকারী প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠেছে টাকা জালিয়াতির অভিযোগ। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর সঠিক তদন্ত করতে ঘটনা স্থানে সেই ওয়ার্ডের মেম্বার সেলিম সহ স্কুল কমিটির সদস্য বৃন্দ এবং সব কাগজপত্রের হিসার দেখে এবং প্রধান শিক্ষকের দাখিলকৃত সকল কাগজপত্র দেখে হিসাবে অনেক গরমিল দেখা যায় অতঃপর সকলের উপস্থিতিতে প্রধান শিক্ষক ভুল স্বীকার করেন এবং ২০ হাজার টাকা ফেরত দিবেন বলে জানান অতঃপর ঘটনা স্থলে পরিবেশ এর অবনতি ঘটে এবং এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষককে ঘেরাও করেন তাৎক্ষণিক অত্র ওয়ার্ডের মেম্বার সেলিম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগে পরিবেশ শান্ত করেন এবং তিনি এলাকাবাসীকে জানান যে আপনারা যে বিষয়ে অবগত আছেন সেটা সত্য, কিন্তু আইন হাতে তুলে নিবেন না,আমরা তাকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে সঠিক বিচারের ব্যাবস্থা করবো। ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায় স্কুলের উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দ ৬৬ হাজার টাকা এবং পুকুরের ৩০০০০ হাজার টাকা সর্বমোট ৯৬ হাজার টাকা এই টাকার মধ্যে কাজ করেছেন ৮১ হাজার ৮২৬ টাকার বলে জানান অত্র বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক এবং বাকি টাকা ইস্কুলে আছে ।
প্রধান শিক্ষক মোঃ কোবির হোসেন কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট যা আমাকে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক কারণে এমন চাপ সিষ্টি করেছে,এবং চাদাবাজির টাকা না দিয়ার ফলে তারা এলাকাবাসী সহ আমাকে প্রাণ নাসের হুমকি দিয়েছে। ভুক্ত ভুগী প্রধান শিক্ষক আরো জানান -কাজের সব ডকুমেন্স আমার কাছে আছে, ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে আমি কাজ করেছি। উক্ত এলাকার মেম্বার জানান-প্রধান শিক্ষকের টাকা জালিয়াতির বিষয়টি সত্য এবং তার ডকুমেন্স এ তার টাকা জালিয়াতির সত্যি প্রমাণ মিলেছে। এবং তিনি এলাকার মানুষদের আহবান জানান স্কুল একা আমার না আমার আপনার সকলের, তায় এই স্কুলকে দেখে রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের। শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড, শিক্ষার কোন বিকল্প নাই, যিনি মানুষ গড়ার কারিগর, তার এমন অপকর্মে দুঃখ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। এবং উক্ত বিষয় সঠিকভাবে তদন্ত করে যেন দেখা হয় আসলেই কি প্রধান শিক্ষক দুর্নীতি করেছেন যদি করে থাকেন তবে তার বিরুদ্ধে যেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।




