পরিবেশগত ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়
বাকৃবিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস সেমিনারে বিজ্ঞানীরা
বাংলাদেশ জলবায়ু পরির্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের একটি প্যানেল সতর্ক করে দিয়ে বলেছে অবিলস্বে পদক্ষেপ না নিলে পৃথিবীজুড়ে বহু মানুষের জীবন-জীবিকার উপর প্রভাব পড়বে। যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি হুমকীর মুখে রয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বিশ্বে পরিবেশগত ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। শুধু একটি দিনে নয়, পরিবেশ সচেতনতা বিষয়ে আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিদিন প্রতি মুহূর্তে আমাদের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আগামীতে এ বাসভূমিকে বাসযোগ্য রাখতে হলে পরিবেশ রক্ষায় আমাদের শপথ গ্রহণ করতে হবে।
আজ সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।
‘প্রাণের স্পন্দনে-প্রকৃতির বন্ধনে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ দিবসটি উদযাপনে র্যালি ও সেমিনারের আয়োজন করে। দিবসটি উপলক্ষে এবারের শ্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘আমি প্রকৃতির, প্রকৃতি আমার’।
জানা যায়, দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ আজ সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করে। র্যালির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে পরেিবশ দিবস উপলক্ষে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. এম এ ফারুখের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জসিমউদ্দিন খান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সচ্চিদানন্দ দাস চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান খোকন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আবদুল বাতেন, মূল আলোচক ছিলেন একই বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসলাম আলী। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, সহকারী প্রক্টর, শিক্ষক, মাস্টার্স শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে বক্তারা দেশের পরিবেশ রক্ষা বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা পরিবেশ রক্ষায় দেশের সকলকে এক যোগে কাজ করার আহ্বান জানান। সেই সাথে এ বিষয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির দাবি জানান। সুত্র ঃ নয়া দিগন্ত




