নিষেধাজ্ঞার মাঝেও ‘সবাইকে ছাড়িয়ে’ সাকিব

নিষেধাজ্ঞার কারণে আইসিসি তাদের র্যাংকিং থেকে সাকিবের নাম মুছে দিলেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে নাম লেখালেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশ থেকে বাকি সবাইকে ছাড়িয়ে একমাত্র সাকিবই পেলেন এই লিস্টের ঝলমলে ঘরটা।
এর আগে ক্রিকেটের বাইবেলখ্যাত উইজডেনের দশকসেরা দলেও ছিল সাকিবের নাম। এবার ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া রাখলেন এই তারকাকে। সম্প্রতি প্রকাশিত দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে পাকিস্তান আর উইন্ডিজের কেউ নেই।
গত ১০ বছরের পারফরম্যান্সের বিচারে তৈরি এই একাদশে সাকিব ছাড়াও আছেন ভারতীয় দলনেতা বিরাট কোহলি, দক্ষিণ আফ্রিকার মারকুটে ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। ১০ বছরে ১৩১টি ওয়ানডে খেলেছেন সাকিব। যেখানে ব্যাট হাতে ৩৮.৮৭ গড়ে করেছেন ৪ হাজার ২৭৬ রান। সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ১২৪ রান। অপরদিকে বল হাতে সাকিব শিকার করেছেন ১৭৭ উইকেট। সেরা বোলিং ২৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে ২২ গজ মাতাচ্ছেন সাকিব। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর অদ্যাবধি খেলেছেন ২০৬টি ওয়ানডে ম্যাচ। যেখানে রান করেছেন ৬ হাজার ৩২৩। বল হাতে নিয়েছেন ২৬০ উইকেট।
ওয়ানডের পাশাপাশি ক্রিকেটের বাকি দুই ফরম্যাট টি২০ ও টেস্টেও তিনি সমানভাবে উজ্জ্বল। এখন পর্যন্ত ৫৬ টেস্টে অংশ নিয়ে করেছেন তিন হাজারের বেশি রান। পাশাপাশি ঝুলিতে পুরেছেন ২১০ উইকেট। আর টি২০’তে ৭৬ ম্যাচ খেলা সাকিবের রান ১ হাজার ৮৯৪। বিপরীতে উইকেট শিকার করেছেন ৯২টি।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দশকসেরা ওয়ানডে একাদশ: রোহিত শর্মা (ভারত), হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা), বিরাট কোহলি (ভারত), এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা), সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ), জশ বাটলার ( ইংল্যান্ড), মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত), লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলংকা), মিচেল স্টার্ক (অস্ট্রেলিয়া), ট্রেন্ট বোল্ট (নিউজিল্যান্ড) এবং রশিদ খান (আফগানিস্তান)।




