sliderস্থানিয়

নিয়ামতপুরে খাস পুকুর নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নিয়ামতপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নে রসুলপুর (হঠাৎ পাড়া) একটি সরকারি খাস পুকুরের দখল ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। পুকুরটি নিয়ে উভয় পক্ষ নিজেদের মালিকানার দাবি করছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় উপজেলার রসুলপুর হঠাৎ পাড়া এলাকায় গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রসুলপুর ইউনিয়নের ওই সরকারি খাস পুকুরকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। উভয় পক্ষই পুকুরটির ওপর নিজেদের অধিকার রয়েছে বলে দাবি করছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খাস সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে এলাকায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তাই পুকুরটির সরকারি নথিপত্র, ইজারা বা বন্দোবস্ত সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

মনিরুল ইসলাম বলেন, সরকারি খাস পুকুরের চারপাশে আমাদের জমি আছে। আমার বাপ দাদার আমল থেকে চেক কেঁটে পুকুরে মাছ চাষাবাদ করি। হঠাৎ করে রফিকুল ইসলাম আমাদের নামে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছে। আমরা প্রশাসনের নিকট তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানাচ্ছি।

আব্দুল সালাম বলেন, রফিকুল ইসলাম নিজেই কলা গাছ কেটেছে। বাড়িতে আগুন দিয়েছে। সরকারি খাস পুকুরকে নিয়ে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চায়।

আব্দুল বাতেন বলেন, সরকারি খাস পুকুর নিয়ে মনিরুলের সাথে রফিকুলে দ্বন্দ্ব, কিন্তু রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আফাজ উদ্দীন এর সাথে জড়িত নয়। তাকে নিয়ে থানায় যে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রতিপক্ষ রফিকুল ইসলামের ছেলে সুমনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে আমার দাদা জমি ক্রয় করে উক্ত পুকুর পাড়ের পশ্চিম পাশে বসত বাড়ি স্থাপন করে। পুকুরের পাশ্ববর্তী জমি সংক্রান্ত আদালতে একটি মামলা চলাচল রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button