নতুন দেড় শতাধিক গান নিয়ে আসিফ আকবর

নতুন করে আবার গান শুরু নয়, বরং গানের যুবরাজ কণ্ঠশিল্পী আসিফ তার নিজেস্ব ঢঙে ফিরেছেন গত প্রায় ১ বছর। তাই নানা তিক্ততা বা শোবিজে কণ্ঠশিল্পীদের ভেতরে যখন নানা ধরনের রসালো খবরে মশগুল, কণ্ঠশিল্পী আসিফ তখন নিজের গান নিয়ে মেতে আছেন তার নিয়মিত চর্চায়। একের পর এক নিজের নতুন স্বাদের গানে এদেশের অগণিত কণ্ঠশিল্পীকে মুগ্ধতায় ডুবিয়ে রেখেছেন তিনি। সেই ক্যাসেট যুগ থেকে শুরু করে সিডি, অতঃপর এই বায়বীয় ডিজিটাল প্লাটফর্মে আসিফ যেন সেই আগের মতোই সাবলীল।
মাত্র কিছুদিন আগে অডিও প্রকাশক-শিল্পী ধ্রুব গুহর সাথে তার একটি ফেসবুক লাইভের দর্শক কয়েক মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। বারবার তাই প্রমাণ হয় আসিফের গানের ভক্ত কয়েক জেনারেশন পার হয়েছে। নিজের কাজের ব্যস্ততায় খানিক ঘুরে এসে জানা গেল, নিয়মিত নানা ধরনের গানের পসরা সাজাতেই ব্যস্ত তিনি। এর ভেতরে রাজীব আহমেদের অসাধারণ একটি লিরিকে তরুণ মুন্সির সুরে ‘বাবা’ শিরোনামের গান গেয়েছেন। বক্তব্যধর্মী গান গেয়েছেন আরোকিছু।
হুট করে জনপ্রিয়তা বা লক্ষ কোটি ভিউয়ের দৌড় নয়, কারণ আসিফ আকবর এসব দৌড়ের রেকর্ড ভাঙা কারিগর হয়েছেন অনেক আগেই। তাই এ প্রসঙ্গ উঠতেই তিনি বলেন, ‘আমার গানই কথা বলবে। কারণ ইউটিউবে অর্গানিক ভিউ বলে একটা কথা আছে। তাই কয়েক মিলিয়ন ভিউয়ের গানটিও আমার, হাজার দশেক ভিউয়ের গানটিও আমার। কিন্তু শ্রোতা ভিন্ন। আর এখন তো সবটাই দেখতে পাই। কে কোথায় থেকে বা কোন ধরনের শ্রোতারা আমার গান শুনছে।’
একসাথে বেশকিছু চলচ্চিত্রের গানও করছেন। করছেন দিনাত জাহান মুন্নিসহ বেশ ক’জন শিল্পীর সাথে দ্বৈত গান। উল্লেখ্য, অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে আসিফ আকবরই একমাত্র উদাহরণ, যার গানের ওপর একাধিক সুরকার-সঙ্গীত পরিচালক, এমনকি একাধিক শিল্পীর ক্যারিয়ার তৈরি হয়েছে।
আসিফ তাই অনবদ্য কণ্ঠশ্রমিক। এক অসাধারণ কণ্ঠের যুবরাজ। তাই নিজেই বলেন, ‘এ বছর আরও প্রায় দেড় শতাধিক গান রিলিজের টার্গেট। অন্য সময় কোথায়। নিজের কাজেই তাই ডুবে থাকি।’ মজার ব্যাপার হলো কপিরাইটের এই তোড়জোরে এই আসিফই কিন্তু সবচেয়ে বুদ্ধিমান দলের অংশীদার। যার নিজের গানের সকল স্বত্ত্ব শিল্পীর নিজেরই। সুদূরপ্রসারী ছিলেন, আছেন এখনও। সেই সুরের সমান্তরালেই তাই আজকের আসিফ সেই একই রকম আত্মবিশ্বাসী জনপ্রিয়। কারণ এই ইন্ডাস্ট্রির অনেক জনপ্রিয় তারকারই আবার সঠিক আত্মবিশ্বাসটা আবার থাকে না। আসিফ সেদিক দিয়ে এক বিরল উদাহরণ। ইত্তেফাক




