ধূলশুড়া ইউনিয়নের অসহায় মানুষের “মরার উপরে খারার ঘা”

নিজস্ব প্রতিনিধি : করোনা মহামারি সাথে নদীতে পানি বাড়ার প্রবণতার কারণে নদী ভাঙ্গন ও বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতিতে কৃষকের চোখে মুখে বিষন্নতা।
করোনা মহামারির দুর্যোগ পূর্ণ এই সময়ে ধূলশুড়া ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গন দিনদিন বেড়েই চলেছে আবার হটাৎ করে বন্যার পানিতে ধূলশুড়া ইউনিয়ন এর অধিকাংশ জায়গায় মানুষ পানিবন্দি । এমনিতে নদী ভাঙ্গন এর সাথে গত দুইমাস যাবত খুব যোদ্ধা করেই দিন পার করছেন। এর মাঝে আবার বন্যার পানিতে একাধিক হতদরিদ্র অসহায় কৃষকের ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায় এতে অবহেলিত ধূলশুড়া ইউনিয়নবাসী কষ্ট দিন পার করছেন।
ইসলামপুর, আবিধারা, কমলাপুর, নীলগ্রামের বাকী অংশ নদীতে পানি বাড়ার কারণে নদী ভাঙ্গনের কবলিত হয়েছে । একাধিক মানুষের জায়গা-জমি,একজনের ঘরসহ নদীর গর্ভে নিয়ে গেছে। ধূলশুড়া নতুন বাজার+কমলাপুর মসজিদ+ইব্রাহিমপুর ঈশ্বর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় একাধিক হতদরিদ্র মানুষের জায়গায় -জমি, ঘর-বাড়িসহ নদী পাড়ের একাধিক হতদরিদ্র পরিবার হুমকির মুখে পড়ে আছে।
দুর্যোগের এই সময় নদী ভাঙ্গন ও বন্যার পানিবন্দি মানুষ এবং সাধারণ কৃষকের ফসলের ক্ষতির এই ঘটনা কত মানুষকে নিঃস্ব করেছে আরও কত মানুষকে অনাহারে রাখবে আল্লাহ তা ভাল জানেন।




