দৌলতপুর যমুনা নদীতে প্রতিদিন অবাধে ধরা হচ্ছে মা ইলিশ

জব্দ করা এত ইলিশ যাচ্ছে কোথায়?
শাহানূর ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যমুনা নদীতে রাতের আঁধারে প্রতিদিনই চলছে ইলিশ ধরার মহোৎসব। ইলিশ নিধন বিরোধী অভিযান গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে। মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা মৎস্য অফিস কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, প্রায় রাতেই যমুনা নদীতে ইলিশ মাছ নিধন বিরোধী অভিযান চলছে। জেলেদের আটক ও মাছ- জাল জব্দ করাও হচ্ছে। একটি সূত্র জানায়, রহস্যজনক কারনে স্থানীয় মিডিয়া কর্মীদের মাছ সম্পর্কে অবগত কিংবা অভিযানে না নিয়ে শুধুমাত্র জব্দ করা নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ফেলার সময় সাংবাদিকদের ছবি তোলার জন্য ডাকা হচ্ছে ! এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দেখানো হচ্ছে না জব্দকৃত মা ইলিশ মাছ। অভিযোগ রয়েছে, জব্দকৃত ইলিশ মাছগুলো নামে মাত্র দু/একটি এতিম খানায় ও দুস্থ মানুষদের মাঝে বিতরন করে বাকী ইলিশ মাছ গুলো হয়ে যাচ্ছে উধাও।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে বাচামারা, বাঘুটিয়া ও চরকাটারী ইউনিয়নের যমুনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবাধে ধরা হচ্ছে মা ইলিশ মাছ। এই ৩ টি ইউনিয়নে বিভিন্ন হাট বাজার, গ্রামে গ্রামে ও যমুনা নদীর পাড়ে প্রতিদিন অবাধে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ।
মঙ্গলবার সকালে সরজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা গেছে-বাচামারা, বাঘুটিয়া ও চরকাটারী ইউনিয়নের নদীর পাড়ে নৌকায় ও ঘাটে অবাধে বিক্রি হচ্ছে শত শত মা ইলিশ ।
এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মনোয়ার হোসেন জানান, সামনের অভিযানে স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযানে সাথে নেওয়া হবে। উপজেলা মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে ইলিশ নিধন বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে ইলিছ মাছ ধরায় জেলেদের আটক ও জেল-জরিমানা করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে জব্দ করা হয়েছে নিষিদ্ধ মা ইলিশ মাছ এতিমখানা ও মাদ্রাসার ছাত্রদের মাঝে বিতরন করা হয়েছে।
মাছ উধাওয়ের বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, জব্দকৃত মাছগুলো ইউএনও সাহেবের সামনে হাজির করার পর তিনি নিজেই মাছগুলো এতিমখানা ও দু:স্থদের মাঝে বিতরন করেন।




