দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের সড়কটি যেন নর্দমা

সংবাদদাতা : রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটগামী সড়কটি দুর্গন্ধযুক্ত নর্দমায় পরিণত হয়েছে। পচা পানি আর ময়লা আবর্জনার গন্ধে সড়কটি দিয়ে চলাচল করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লঞ্চে নদী পারাপার হওয়া হাজার হাজার যাত্রী, সেই সাথে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী।
সরেজমিনে আলাপকালে সড়কের পাশের ইলেকট্রনিক্স দোকানদার মো. আসাদ, গোলাম মোস্তফা, মুদি ব্যবসায়ী হাসমত মিয়া, ফল ব্যবসায়ী করম আলী, ঔষধ ব্যবসায়ী আ. সালামসহ অনেকেই বলেন, প্রায় ৭ মাস আগে পাশের নবনির্মিত ১ নম্বর ফেরিঘাটের এ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে এখানকার প্রধান সড়কের ড্রেনটি বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে সড়কের পাশে থাকা হোটেল গুলোর বর্জ্য ও ফেলে দেয়া বাসি-পচা খাবার ড্রেন উপচে লঞ্চঘাট সড়কের উপর আসতে থাকে। দুর্গন্ধযুক্ত এ ময়লা পানি বের হয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের উপর জমে ব্যস্ততম সড়কটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীরা নাক-মুখ বন্ধ করে কোনমতে লঞ্চঘাটে যাতায়াত করছে। কিন্তু কেউ দাঁড়িয়ে কোন কিছু কেনা কাটা করছে না। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি হোটেল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
জানা গেছে, গত ৬ মাস আগে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হলে জেলা প্রশাসক শওকত আলী সড়কটি দ্রুত পরিচ্ছন্ন করতে গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদকে নির্দেশ দেন। কিন্তু এ পর্যন্ত সড়কটি সংস্কারের কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সরু ওই সড়ক দিয়ে এক সঙ্গে বহুলোক চলাচল করতে গিয়ে ময়লার মধ্যে অনেকের পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু নাসার উদ্দিন জানান, সড়কটির দুরবস্থা ও মানুষের দুর্ভোগ আমার চোখেও পড়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে লঞ্চঘাট সড়ককে দুর্গন্ধযুক্ত করতে উপজেলা চেয়ারম্যান, বিআইডব্লিউটিএ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেছি।গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি থেকে দুর্গন্ধযুক্ত পানি অপসারণ ও সড়ক সংস্কারের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




