Uncategorized

দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ ও প্রচারণার অভাবে সরকারী সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্জিত হচ্ছে !

নিজস্ব প্রতিনিধি, জুরাছড়ি : সুবিধাবঞ্চিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, চর ও হাওরসহ দুর্গম এলাকার অধিবাসী, বিলুপ্ত ছিট মহলের বাসিন্দা ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কমপক্ষে এক লক্ষ জনকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সহায়তা করা হবে। এছাড়া প্রশিক্ষণ চলাকালে এ জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ ভাতার পাশাপাশি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার জুরাছড়ি উপজেলায় পায়াক্ট বাংলাদেশ সহযোগীতায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ) প্রকল্পের উদ্যোগে সামাজিক প্রচারাভিযান লক্ষে কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী একথা বলেন।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো বলেন, দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ও প্রচারণার অভাবের কারণে বেকার যুবকরা এসব সরকারী সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্জিত হচ্ছে। এসব বর্তা নিজেদের মধ্যে সীমা বদ্ধ না রেখে জনপ্রতিনিধিদের বিভিন্ন সভায় আলোচনা করতে হবে। এছাড়া স্ব-স্ব ইউনিয়ন ডিজিটেল সেন্টার থেকে এসব তথ্য পাওয়া সম্ভব। বেকার যুবকদের যথাযথ প্রশিক্ষণে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আরো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব বলে অভিমত প্রকাশ করেন।
এ সময় স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ) মনিটরিং অফিসার এ কে এম মঞ্জুরুল আলম কর্মশালা শুরুতে প্রজেক্টরের মাধ্যমে স্কীপ ও ভিডিও প্রর্দশন করেন।
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে জুরাছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যানন চাকমা, বনযোগীছড়া সন্তোষ বিকাশ চাকমা, মৈদং সাধনা নন্দ চাকমা ও দুমদুম্যা শান্তি রাজ চাকমা, রিসোস সেন্টারের ইন্সেট্্রাক্টর মোঃ মরশেদুল আলম, সমাজ সেবা কর্মকর্তা তরুন চাকমা, স্থানীয় সাংবাদিক, ইউনিয়ন ডিজিটেল সেন্টারের উদ্যোক্তাগণ, ওয়ার্ড সদস্য, সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (সেইপ) মনিটরিং অফিসার এ কে এম মঞ্জুরুল আলম বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানের চাহিদার আলোকে বেসরকারি পর্যায়ে ১২টি ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, সরকারি পর্যায়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওয়াতাধীন বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই বিভাগ তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এছাড়া তিনি বলেন, প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে- তারমধ্যে প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি পেতে সহায়তা প্রদান, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে থেকে অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ চলাকালে প্রশিক্ষণ ভাতাসহ বিশেষ বৃত্তি প্রদান, মোট প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে কমপক্ষে ৩০ ভাগ মহিলা জন্য সংরক্ষিত, শিল্প কারখানায় কর্মরত কর্মচারীদের বিদ্যমান দক্ষতার মান উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান করায় তারা উচ্চতর পদে অধিক বেতনে পদোন্নতি পাচ্ছেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button