টাঙ্গাইলে জেলা আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর, সঙ্ঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ২০

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় তিনজন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এছাড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় আন্দোলনকারীরা। তারা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নিরালা মোড়, প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তা ও ডিস্ট্রিক্ট গ্রেটসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আগুন জ¦ালিয়ে ও লাঠিসোট নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
আহত সাংবাদিকরা হলেন, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোরডটকমের জেলা প্রতিনিধি মোল্লা তোফাজ্জল হোসেন, এখন টিভির ক্যামেরাপার্সন শোভন দাস ও রূপালী বাংলাদেশডটকমের মনিরুজ্জামান মনির।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জরো হন। এরপর তারা মিছিল নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের দিকে যেতে চাইলে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। তখনই শুরু হয় সংঘর্ষ। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিআর সেল নিক্ষেপ করে। আন্দোলনকারীরা পুলিশের দিকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশের সাথে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুলিশের ছোঁড়া টিআর সেলের আঘাত ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে তিন সাংবাদিক ও পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। তারা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ অবস্থায় শহর জুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার গোলাম সবুর জানান, আহতদের মধ্যে, বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো শিক্ষার্থী বা আন্দোলনকারীদের উপর টিয়ারশেল বা রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়নি। তবে সংঘর্ষে বেশ কিছু বহিরাগতদের দেখা যায়। তাদেরকে ফেরাতে টিয়ারশেল-রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়।




