
রাংগামাটি প্রতিনিধি: আল্লামা মামুনুল হক সাহেবের এই মনোনীত প্রার্থী বর্তমানে নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সাধারণ ভোটারদের মাঝে অভূতপূর্ব সাড়া জাগিয়েছেন। গণসংযোগকালে আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, তিনি ও তাঁর বাবা এই রাঙ্গামাটিরই আদি বাসিন্দা। মাটির টানে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী তাঁকে আপন করে নিয়েছে। সম্প্রতি জুড়াইছড়িতে প্রায় ২০০-২৫০ জন পাহাড়ি ভাই তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন। পাহাড়ের মানুষ এখন নতুন নেতৃত্ব এবং পরিবর্তন চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। ভূমি সমস্যা সমাধান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নির্বাচিত হলে পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ‘ভূমি সমস্যা’ সমাধানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, পাহাড়ের ১৪টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ সবার সাথে আলোচনার ভিত্তিতে এবং সম্মতিক্রমে ভূমি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। আমরা চাই পাহাড়ি-বাঙালি সবাই মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক শান্ত রাঙ্গামাটি গড়তে। রাঙ্গামাটির অনগ্রসর এলাকাগুলোতে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। দেশের অন্যান্য জেলা উন্নত হলেও রাঙ্গামাটি কেন অবহেলিত থাকবে— সেই প্রশ্ন তুলে তিনি উন্নয়নের জোয়ার এই পাহাড়েও আনার প্রতিশ্রুতি দেন। রাঙ্গামাটির ফল-ফলাদির সঠিক বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, বেকারত্ব দূর করতে এখানে হিমাগার এবং ফ্রুট জুস ফ্যাক্টরি স্থাপন করা হবে। শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানই হবে আমাদের তারুণ্যের শক্তি। ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথমত আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় যেকোনো মূল্যে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূল করা হবে। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের ত্যাগের কারণেই আজ দেশ স্বাধীন। তিনি এই বীরদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ নং আসনে রাঙ্গামাটি থেকে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন ১১ দলীয় জোট ও ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক। আল্লামা মামুনুল হক সাহেবের এই মনোনীত প্রার্থী বর্তমানে নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং সাধারণ ভোটারদের মাঝে অভূতপূর্ব সাড়া জাগিয়েছেন।




