জাতীয়শিরোনাম

গুলশান-বনানীর অবৈধ স্থাপনা সরাতে ১০ মাস সময়

রাজধানীর গুলশান, বনানী ও ধানমণ্ডি এলাকার সব ধরনের অবৈধ স্থাপনা ১০ মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ আজ বুধবার এ রায় দেয়।
এ বিষয়ে দায়ের করা আলাদা ২৩৩টি রিট নিষ্পত্তি করে আজ এ রায় দেন সর্বোচ্চ আদালত।
আদালতে রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আহসানুল করীম, ইদ্রিসুর রহমান, ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন, ব্যারিস্টার আবদুল কাইয়ুম, ফারজানা খান, আসিফ আলী খান, মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
রায়ের পরে ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন বলেন, ওই তিন এলাকার অবৈধ স্থাপনা মালিকদের সরাতে ১০ মাস সময় দিয়েছেন আদালত। এ সময়ে রাজউক কোনো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারবে না। পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাসের লাইনও বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না। ১০ মাসের মধ্যে যদি না সরায়, তাহলে বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করতে পারবে।
তবে ব্যারিস্টার আবদুল কাইয়ুম বলেন, আদালত ১০ মাসের সময় দিয়েছেন। এর মধ্যে যারা রাজউক থেকে অনুমতি নিতে পারবে, তারা থাকবে। আর যারা পারবে না, তাদের উচ্ছেদ হতে হবে। কারণ আবাসিক এলাকায় সীমিত আকারে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো যেতে পারে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালে গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার পর অনুমোদনবিহীন ৫৫২টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা করে রাজউক। এ প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের জন্য ২৫ ‍জুলাই থেকে কার্যক্রম শুরু করেছিল রাজউক। এরপর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ উচ্ছেদ অভিযানের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। যে আবেদনগুলোর শুনানি নিয়ে বুধবার রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
ওই সময়ে আবেদন করা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হলো—ধানমণ্ডির সাতমসজিদ রোড এলাকার বাবুর্চি রেস্টুরেন্ট, পুল ওয়ার্ল্ড, কড়াই গোশত, গুলশানের হোটেল ডি ক্যাস্ট্রল লিমিটেড, স্কলাস্টিকা স্কুল, অরুরা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, হোটেল হলিডে প্যানেট, হোটেল আমরাই, বনানীর কফি ওয়ার্ল্ড, ফুড প্যালেস রেস্টুরেন্ট। এন টিভি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button