কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানি

জার্মানির সামনে পাত্তাই পেল না স্লোভাকিয়া। ইউরোতে প্রথম খেলতে আসা দেশটিকে সহজেই ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠে গেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
ফ্রান্সের লিলে রোববার সন্ধ্যায় ম্যাচের শেষ পর্যন্ত প্রভাব বিস্তার করে খেলে জার্মানি। অষ্টম মিনিটের গোলে শুরুটাও হয় দুর্দান্ত।
টনি ক্রুসের নেওয়া কর্নার স্লোভাকিয়ার এক খেলোয়াড় বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করলে ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে যান জেরোম বোয়াটেং। ২৫ গজ দুর থেকে বায়ার্ন মিউনিখের এই ডিফেন্ডারের জোরালো ভলি মাঝ পথে এক জনের পায়ে হালকা ছোঁয়া লেগে জালে জড়ায়।
ত্রয়োদশ মিনিটে স্লোভাকিয়ার ডিফেন্ডার মার্টিন স্কার্টেল ডি-বক্সে মারিও গোমেজকে জার্সি টেনে ফেলে দিলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। কিন্তু ব্যবধান বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেসুত ওজিল; স্পটকিক বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।
২৫তম মিনিটে গোমেজের হেডে বল পেয়ে দারুণ এক ভলি করেছিলেন ওজিল; বল পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে গেলে আর্সেনাল মিডফিল্ডারের হতাশা বাড়ে।
৪১তম মিনিটে স্লোভাকিয়ার ইউরাই কুচকার হেড ডান দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান মানুয়েল নয়ার।
দুই মিনিট পরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বেসিকতাসের ফরোয়ার্ড গোমেজ। গোলটিতে দারুণ অবদান ইউলিয়ান ড্রাক্সলারের। ডি-বক্সে বাঁ দিক থেকে সঙ্গে লেগে থাকা এক জনকে কাটিয়ে বাই-লাইন থেকে ভলফসবুর্গের এই মিডফিল্ডারের বাড়নো বল সহজেই জালে পাঠিয়ে দেন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করা গোমেজ।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো খেলতে পারেনি স্লোভাকিয়া। একের পর এক আক্রমণে উঠে ৬৩তম মিনিটে তৃতীয় গোলটি পায় জার্মানরা। রিয়ার মাদ্রিদের মিডফিল্ডার ক্রুসের কর্নার থেকে মাট হুমেলসের হেডে পাওয়া বল দারুণ ভলিতে কাছ থেকে জালে জড়িয়ে দেন ডাক্সলার।
আগামী শনিবার তৃতীয় কোয়ার্টার-ফাইনালে জার্মানির প্রতিপক্ষ হবে ইতালি ও স্পেনের মধ্যে বিজয়ী দল।




