কাশ্মীর নিয়ে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ওআইসি

অবশেষে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর নিয়ে তৎপর হতে যাচ্ছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)।
কাশ্মীর নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটির দায়িত্বে থাকা সৌদি আরব।
কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়া, তুরস্ক, ইরান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে অঘোষিত জোটের তিনদিন ব্যাপী সম্মেলনের পর কাশ্মীর নিয়ে নড়েচড়ে বসে ওআইসি।
গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত সম্মেলনটিতে কাশ্মীর, উইঘুর, ফিলিস্তিনসহ মুসলিমদের সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা হয়।
সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের আশঙ্কা ওআইসির বিকল্পে তুরস্ক-মালয়েশিয়ার নেতৃত্বে মুসলিমদের নতুন একটি জোট হতে যাচ্ছে।
ভারতের সঙ্গে সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য সম্পর্ক ও কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে ওআইসির ব্যর্থতায় পাকিস্তানের সমর্থন আদায় করতেও সক্ষম হয়েছিল কুয়ালালামপুর সম্মেলন। যদিও সৌদি আরবের চাপে শেষ মুহূর্তে এসে সম্মেলনটিতে যোগ দেয়নি পাকিস্তান।
এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার একদিনের সফরে ইসলামাবাদ আসেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল-সউদ। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন তিনি।
এক বিবৃতিতে ইসলামাবাদ জানায়, কাশ্মীর নিয়ে ওআইসির ভূমিকা প্রসঙ্গে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়। ভারত নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটির বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর সেখানে মানবাধিকার লংঘনের বিষয়টিও গুরুত্ব পায় বৈঠকে।
এ ছাড়া হিন্দুত্ববাদী এজেন্ডায় বিজেপি সরকারের বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন পাসের বিষয়টিও সৌদি আরবকে অবহিত করেন শাহ মেহমুদ কুরেশি।
একইদিন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের বৈঠকে উঠে আসে কাশ্মীর প্রসঙ্গ।
বৈঠকে ইমরান খান জানান, ভারত বরাবরই সীমান্তে আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে আসছে। এতে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তায় হুমকি বাড়ছে।
তিনি কাশ্মীরি জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে, জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ন্যায্য সমাধানের সুবিধার্থে এবং ভারতে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।




