উপমহাদেশশিরোনাম

কাশ্মীরে নিষেধাজ্ঞা তুলুক ভারত – ইউরোপীয় ইউনিয়ন

জম্মু ও কাশ্মীরে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে সদর্থক পদক্ষেপ করেছে ভারত। কিন্তু চলতে থাকা নিষেধাজ্ঞা দ্রুত তুলতে হবে বলে স্পষ্ট জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। মানবাধিকারের স্বার্থে নিষেধাজ্ঞা কাশ্মীর সফর করা ইইউ-এর প্রতিনিধিদের মতে, তোলাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
দু’দিন আগেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ বিদেশি কূটনীতিকদের একটি দল কেন্দ্রশাসিত এই এলাকা পরিদর্শনে আসে। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর গত বছর ৫ আগস্ট মাস থেকে এখানে জমায়েত, যাতায়াত ও ফোনের ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন-সহ ২৫টি দেশের কূটনীতিবিদদের প্রতিনিধি দল এই সপ্তাহে শ্রীনগর ও জম্মুতে এসেছিল। জার্মানি, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, পোল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, মেক্সিকো, আফগানিস্তান, অস্ট্রিয়া, উজবেকিস্তানের মতো নানা দেশের কূটনীতিক ও দূতরা সরকারি সফরে কাশ্মীরে এসেছিলেন।
শুক্রবার কাশ্মীর সফর শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, ‘সফর থেকে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে ভারত সরকার স্বাভাবিকতা ফেরাতে সদর্থক পদক্ষেপ করেছে। কিছু নিষেধাজ্ঞা তোলা হলেও উল্লেখযোগ্য ভাবে এখনও ইন্টারনেট পরিষেবা ও মোবাইল পরিষেবায় নিষেধাজ্ঞা তোলা হয়নি। এখন‌ও বিনা কারণে রাজনৈতিক নেতাদের বন্দি করে রাখা হয়েছে।’ ইউনিয়নের মুখপাত্র ভার্জিনি বাট্টু হেনরিকসন তাঁর বিবৃতিতে জানাচ্ছেন, ‘কাশ্মীরে যেটুকু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাও তুলে নেওয়াটা দরকার। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’ ওমর আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতি-সহ শীর্ষ নেতানেত্রীদের মুক্তি দিতে এবং তাঁদের স্বাভাবিক রাজনৈতিক জীবনে ফেরার দ্রুত সুযোগ দেওয়ার জন্য সওয়াল করেছেন হেনরিকসন।
ইইউ তাদের বিবৃতিতে বলেছে, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা যে কাশ্মীরে যেতে পারছেন তাতে বোঝা যাচ্ছে কাশ্মীরের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে ইতিবাচক পদক্ষেপ করেছে ভারত সরকার। কিন্তু এখনও সেখানে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেই বাদবাকি নিষেধাজ্ঞা তুলে ফেলতে হবে। কাশ্মীরের মানুষের স্বার্থে শান্তি ফেরাতে এটা জরুরি।’ সরকারি সূত্রে খবর, কাশ্মীর সফর শেষে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে দেখাও করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা।
সংবাদ প্রতিদিন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button