
কয়েক সপ্তাহ আগেও একদম সুস্থ ছিলেন স্টুয়ার্ট ও আদ্রিয়ান বেকার দম্পতি। হয়তো আরও একটি বিবাহবার্ষিকী ধুমধামের সঙ্গে পালনের স্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু কে জানতো মহামারী ধেয়ে আসছিল তাদের দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বয়েনটন বিচে এই দম্পতি ৫১ বছরের যুগল জীবন পার করছিলেন। আগে থেকে কোনো গুরুতর অসুখ না থাকলেও মার্চের মাঝামাঝিতে তারা অসুস্থতা বোধ শুরু করেন।
গত রবিবার দুজনে মারা যান কভিড-নাইনটিনে আক্রান্ত হয়ে। মাত্র ৬ মিনিটের ব্যবধানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তারা। দম্পতির ছেলে বাডি বেকার খবরটি সিএনএনকে জানান।
মৃত্যুকালে স্টুয়ার্টের বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর, আর আদ্রিয়ানের ৭২।
বাডি টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি করোনা মোকাবিলায় সবাইকে সামাজিক দুরত্ব বজায় ও বাড়িতে থাকার আহ্বান জানান।
জানান, অসুস্থবোধ করায় তিন সপ্তাহ আগে চিকিৎসকের কাছে জানান স্টুয়ার্ট ও আদ্রিয়ান। পরামর্শ দিয়ে তাদের বাড়ি পাঠানো হয়। কয়েক দিন পর অবস্থার উন্নতি না হলে হাসপাতালে গেলে তাদের বাড়ি গিয়ে সেলফ কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু শরীর দিন দিন খারাপ হচ্ছিল।১৯ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি হন স্টুয়ার্ট। ২৪ মার্চ তার করোনা ধরা পড়ে। এরপর আদ্রিয়ানকেও ভর্তি করা হয়।
ইতিমধ্যে দুজনের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তাদের একই কেবিনে রাখা হয়। সেখানেই ২৯ মার্চ ৬ মিনিট আগে-পরে তাদের মৃত্যু হয়।
বৃহস্পতিবার স্টুয়ার্ট ও আদ্রিয়ানের স্মরণানুষ্ঠান হয়। সেখানে তিন সন্তানসহ বাডি বেকার ও তার বোন উপস্থিত ছিলেন। তিনি আবারও মনে করিয়ে দেন- করোনা মোকাবিলায় সামাজিক দুরত্ব, বারবার হাত ধোয়া ও বাড়িতে থাকতে হবে।




