
রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সহকারি শিক্ষিকা তাহমিনা রহমান উর্মি ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে প্রধান শিক্ষিকা সাদেকা ইয়াসমিনকে অপসারণ এবং তদন্ত কাজে বহিরাগত ভাড়াটিয়া লোকজন দ্বারা হুমকি প্রদর্শনের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মানববন্ধন ও র্যালি করেছেন। জানা যায় ২৪ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বেথুইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে মানববন্ধন করে স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকগণ। বিদ্যালয় চত্বর থেকে প্রথমে একটি র্যালি বের হয়ে বেথুইর আনন্দবাজার প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
হাফেজ গুলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মোঃ বাচ্চু মিয়া, রওশনারা বেগম, জামিলা আক্তার, তানভির হোসেন,মোছা:ফাইজা, নুসরাত, মিতালী, শ্রাবন্তী প্রমুখ । মানববন্ধনে বক্তারা সহকারি শিক্ষিকা তাহমিনা রহমান সম্পর্কে বলেন তিনি একজন ফাঁকিবাজ শিক্ষিকা কোন সময় তিনি টাইমলি ক্রাস্ট ক্লাসে যাতায়াত করেন না, শ্রেণিকক্ষে তিনি নিজের রূপচর্চা ও মোবাইল ফোনে কথোপকথন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন এবং সব সময় প্রধান শিক্ষিকা সহ অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ করেন। তার স্বামী ও তার পিতা রাজনীতি করেন বিধায় ক্ষমতার দাপট দেখান। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ রাজনৈতিক পঠ পরিবর্তনের পর থেকে তার উশৃংখলতা বৃদ্ধি পায়। মানববন্ধন থেকে সমস্ত বক্তাই এই শিক্ষিকার অপসারণের দাবি জানান।
উল্লেখযোগ্য যে গত ২৩ জুলাই বুধবার, কটিয়াদী উপজেলা প্রাইমারি শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান উক্ত বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা তাহমিনা রহমান কর্তৃক প্রধান শিক্ষিকা সাদেকা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে আসেন। সেই দিনই সহকারী শিক্ষিকা তাহমিনা রহমান উর্মি তার পরিকল্পনা মাফিক কুলিয়ারচর তার পিতার বাড়ির এলাকা থেকে ৫০/৬০জন ভাড়াটে গুন্ডা প্রকৃতির লোকজন নিয়ে তদন্ত কাজে হস্তক্ষেপ করেন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের এই মর্মে হুমকি প্রদর্শন করেন যে বর্তমান প্রধান শিক্ষিকা সাদিকা ইয়াসমিনকে দ্রুত অন্যত্র বদলি না করলে সবাইকে দেখে নিবেন বলে ভিতি প্রদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার জনান,প্রধান শিক্ষিকা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করা হবে।


