sliderশিক্ষাস্থানিয়

এস এস সি পরীক্ষা-২০২৬ পদার্থ বিজ্ঞান শর্ট সাজেশন 

কাঞ্চন রায়: অধ্যায়-০৩ (বল) (ভৌত রাশি এবং পরিমাপ) 

জ্ঞানমূলক

১। বল কাকে বলে?

উত্তরঃ যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করার চেষ্টা করে বা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করার চেষ্টা করে তাকে বল।

২। সাম্যবল কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো বস্তুর উপর একাধিক বল ক্রিয়া করলে করলে যদি বলের লব্দি শূন্য হয় অর্থাৎ বস্তুটি সাম্যাবস্থায় থাকে,তবে ঐ বলগুলোকে সাম্য বল বলে।

৩। জড়তা কাকে বলে?

উত্তরঃ বস্তু যে অবস্থায় আছে চিরকার সে অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে ধর্ম বা বজায় থাকতে চাওয়ার প্রবনতাকে জড়তা বলে।

৪। ভরবেগ কাকে বলে?

উত্তরঃ ভর ও বেগের গুনফলকে ভরবেগ বলে।

৫। নিউটনের ২য় সূত্রটি লিখ।

উত্তরঃ বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার এর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে। 

৬। ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্রটি লিখ। 

উত্তরঃ একাধিক বস্তুর মধ্যে শুধু ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো বল কাজ না করলে কোনো নির্দিষ্ট দিকে তাদের মোট ভরবেগের কোনো পরিবর্তন হবে না। 

৭। অসাম্য বল কাকে বলে?

উত্তরঃ কোনো বস্তুর উপর ক্রিয়ারত একাধিক বলের লব্ধি যদি শূন্য না হয় অর্থাৎ যদি কোনো নির্দিষ্ট দিকে বস্তুটির ত্বরণ থাকে তবে উক্ত বলগুলোকে অসাম্য বল বলে।

৮। স্থিতি ঘর্ষন কী?

উত্তরঃ দুটো বস্তু একে অন্যের সাপেক্ষে স্থির থাকা অবস্থায় যে ঘর্ষণ বল থাকে সেটা হচ্ছে স্থিতি ঘর্ষ্ণ।

৯। আবর্ত ঘর্ষণ কী?

উত্তরঃ যখন একটি বস্তু অপর একটি বস্তু বা তলের উপর দিয়ে গড়িয়ে চলে বা চলতে চায় তখন গতির বিরুদ্ধে যে ঘর্ষন বল ক্রিয়া করে তাকে আবর্ত ঘর্ষন বলে।

১০। সবল নিউক্লিয় বল কী?

উত্তরঃ স্বল্প পাল্লার এবং সবচেয়ে শক্তিশালী যে মৌলিক বল নিউক্লিওসমূহকে একত্র করে রাখে তাকে সবল নিউক্লিও বল বলে।

১১। দূর্বল নিউক্লিয় বল কী ?

উত্তরঃ নিউক্লিয়াসে বিটা ক্ষয় জনিত কারণে উদ্ভূত যে স্বল্পপাল্লার এবং স্বল্প মানের বল নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরস্ত্র মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে ক্রিয়া করে তাকে দুর্বল নিউক্লিও বল বলে। 

অনুধাবনমূলক / সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ 

১। ঘর্ষন একটি প্রয়োজনীয় উপদ্রব-ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ ঘর্ষন  একটি প্রয়োজনীয় উপদ্রব, কারণ ঘর্ষ্ণ ছাড়া আমরা কোনো কিছুই করতে পারি না। যেমন- গতিশীল বস্তুর থামা, দেয়ালে পেরেক স্থিরভাবে আটকে থাকা, পাকা দালান ও বাড়িঘর নির্মাণ,কাগজে পেন্সিল বা কলম দিয়ে লেখা, হাঁটা-চলা করা, গাড়ির গতির দিক পরিবর্তন, প্যারাসুট ব্যবহার করে বিমান থেকে নিরাপদে মাটিতে নামা- এসবের কোনোকিছুই সম্ভব হত না যদি ঘর্ষ্ণ না থাকত।

আবার ঘর্ষন অসুবিধাও অনেক। যেমন-ঘর্ষণের ফলে যন্ত্রপাতির গতিশীল অংশগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, যানবাহনে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ করতে হয় ,অতিরিক্ত যে তাপ উৎপন্ন হয় তাতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়,জুতার সোল ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং ছিড়ে যায়।

তাই আমাদের কাজকর্ম ও জীবনযাপন সহজ করার জন্য ঘর্ষ্ণ যেমন প্রয়োজন, তেমনি অতিরিক্ত ঘর্ষ্ণ অনেক ক্ষয় ক্ষতির কারণ।অর্থাৎ ঘর্ষ্ণকে পুরোপুরি যেমন বাদ  দেওয়া যায় না, তেমনি ভাবে নানা ক্ষেত্রে ঘর্ষ্ণ আমাদের উপকারে আসে। এজন্য ঘর্ষ্ণকে বলা হয় একটী প্রয়োজনীয় উপদ্রব।

২। ভর জড়তার পরিমাপক-ব্যাখ্যা কর।  

লেখক : সহকারী শিক্ষক (বিজ্ঞান)
সাদিপুর উচ্চ বিদ্যালয়
ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর। 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button