উদ্বোধনের প্রথমদিনে রোগি ৪জন বোয়ালমারীতে বৈকালিক স্বাস্থ্য সেবা চালু

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু হয়েছে। এই প্রথম সারাদেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতাল ২০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ন্যায় বোয়ালমারীতেও কার্যক্রমটি চালু করা হয়। তবে উদ্বোধনের প্রথমদিনে বৈকালিক স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমে রোগীদের তেমন সাড়া মেলেনি।
জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে ইনন্টিিউটশনাল প্র্যাকটিস বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতাল ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাইলটিং ভিত্তিতে সরকারি চিকিৎসকদের দ্বারা সরকার নির্ধারিত ফ্রি’র বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এ কার্যক্রমে ফরিদপুর জেলার ৯টি উপজেলার মধ্যে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে অন্তভুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিকেলে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমএ নাহিদ আল রাকিবের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এমএম মোশাররফ হোসেন মুশা, পৌর মেয়র সেলিম রেজা লিপন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. রওশন জাহান আক্তার আলো, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারেফ হোসাইন, ডা. শরিফুল ইসলাম শুভ, ডা. সাবরিনা হক, ডা. শবনম সুলতানা ও সিনিয়র নার্স আলো রানী মিত্র প্রমুখ।
তবে কার্যক্রমটি নতুন হওয়ায় উদ্বোধনের প্রথমদিনে রোগীদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। উদ্বোধনের সময় দুইজন রোগীকে টিকিট নিয়ে সেবা নেন। তারা হলেন, পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের রায়পুর এলাকার আকিদুল ইসলামের ছেলে আরাফাত হোসেন (১১) ও গুনবহা গ্রামের জাহাঙ্গীর মোল্লার স্ত্রী জাহেদা বেগমসহ (৪৫) চারজন রোগিকে রেজিস্ট্রারভুক্ত করা হয়।
সেবা নিতে আসা আরাফাত হোসেন বলেন, আমি মাইকিং শুনে এ সেবা নিতে এসেছি। আমার ঠান্ডা, জ্বর ও কাঁশি হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত ফ্রি’ দিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে একটু হলেও স্বল্পখরচে ডাক্তার দেখাতে পেরেছি। এ উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে তিনি ধন্যবাদ জানান। অপর রোগি জাহেদা বেগম বলেন, আসলে আমার স্বামীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট দেখাতে এসেছি। এখন বিকেলে এ কার্যক্রম চালু হওয়ায় খুবই ভালো লাগছে। তবে সপ্তাহে দুই দিনের পরিবর্তে প্রতিদিন এ সেবা চালু করলে ভালো হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কম রোগি আসার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমএ নাহিদ আল রাকিব বলেন, যেহেতু এটা নতুন একটি বিষয়। আমরা গত (বুধবার) নির্দেশনা পেয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে চেষ্টা করা হয়েছে প্রোগ্রামটি সফল করতে। প্রচার প্রচারণায় মাইকিং করা হয়েছে। তবে সামনের দিনে আরো রোগি বাড়বে বলে আশা করছি।




