শিরোনামশীর্ষ সংবাদ

ইভিএম কেনা প্রকল্প একনেকে অনুমোদন

দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনা প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, ত্রুটিমুক্ত, বিশ্বাসযোগ্য ও আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর করতে এ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় ইভিএম) কেনা প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।
সভায় মোট ১৩টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ১৩ নম্বরে রাখা হয়েছিলো ইভিএম কেনা প্রকল্প। সভাশেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, দেড় লাখ ইভিএম কেনা প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। শুধু দেড় লাখ ইভিএম, সিস্টেম এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির কেনার জন্য ৩ হাজার ৫১৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ফলে প্রতি ইউনিট ইভিএমের দাম পড়ছে প্রায় দুই লাখ টাকা। প্রকল্পের বাস্তবায়ন মেয়াদ চলতি সময় থেকে জুন ২০২৩ সাল পর্যন্ত।
নির্বাচনী আইনের সংস্কার, রাজনৈতিক দলের মতামতসহ সবকিছু ঠিক থাকলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক-তৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম ব্যবহার করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় তারা।
ইসির পাঠানো প্রকল্প প্রস্তাবনায় দেখা গেছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের তিন হাজার ১১০ জন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়ে সামগ্রিক দক্ষতা বৃদ্ধি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রস্তাবনায় ইসি জানিয়েছে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মূল দায়িত্ব হলো জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করা। প্রস্তাবনায় ইভিএমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছে সংস্থাটি।
ইভিএম ব্যবহারের জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের সিদ্ধান্তের কথা গত ৩০ আগস্ট জানায় নির্বাচন কমিশন।
পরিকল্পনা কমিশনের একটি সূত্র জানায়, প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য অনেকটা তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে। দেড় লাখ ইভিএম কেনার প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভার তারিখ ছিল গত ১৯ আগস্ট, যা স্থগিত হয়ে যায়।
জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রকল্প অনুমোদনের আগেই ব্যাংকে এসব যন্ত্রপাতি আনতে এলসিও (ঋণপত্র) খোলা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button