
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:একটি সেতুর অভাবে চর আমডালা সহ পার্শ্ববর্তী উত্তর কাশাদহ, পাইপাড়া ও আড়পাড়া গ্রামের আড়াই হাজার লোকজনকে সারা বছর যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
প্রতিটি নির্বাচনের পূর্বে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থী থেকে শুরু করে এমপি প্রার্থীগণ এসব এলাকার মানুষের যাতায়াতের কষ্টের কথা বিবেচনা করে আমডালা বাজারস্থ কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের উত্তর পার্শ্বে ইছামতী নদীর উপর একটি সেতু (ব্রীজ) নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্বাচনের পরে ওই প্রার্থী জয়লাভ করলেও আর তার দেখা মিলে না। ফলে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবে রুপ নেয় না। এ কারণে নদীর ওপারের ৪টি গ্রামের আড়াই হাজার লোকজনের যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বর্ষা মৌসুমে লোকজন নৌকায় যাতায়াত করলেও শুকনো মৌসুমে পড়ে চরম দুর্ভোগে।এই নদী পারাপারের জন্য বাসের সাঁকো তখন তাদের একমাত্র ভরসা। প্রায় অর্ধ কিঃমিঃ দীর্ঘ এই বাঁশের সাঁকো পারাপার হতে পথচারীরা নানা অসুবিধা ও দূর্ঘটনার শিকার হন।
প্রতিদিন চর আমডালা, পাইকপড়া, আরপাড়া ও উত্তর কাশাদহ গ্রামের লোকজনকে নিত্য প্রয়োজনে আমডালা হাট-বাজারে কেনা-কাটা করতে আসতে হয়ে। তখন এই বাঁশের সাঁকো তাদের কমপক্ষে ২বার পারাপার হতে হয়ে। পথচারীরা এই সাঁকো পারাপার হওয়ার সময় অনেকে সাঁকো ভেঙ্গে কিম্বা পাঁ পিছলে নদীতে পড়ে মারাত্মক দূর্ঘটনার শিকার হন।
তাছাড়া আমডালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আমডালা বাজার জামে মসজিদ মক্তবে যাতায়াতের সময় ছোট-ছোট ছেলে-মেয়েদের ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পারাপার হতে হয়।বিগত ১০ বছরে এই বাঁশের সাঁকো পারাপার হওয়ার সময় কমপক্ষে ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এসব দূর্ঘটনার কবল হতে পরিত্রাণ পাওয়ার লক্ষ্যে এই ৪টি গ্রামের আড়াই হাজার লোকজন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করছে।



