প্রবাসশিরোনাম

আরেকটি ৯/১১ দেখার মানসিক প্রস্তুতিই নিচ্ছে আমেরিকা

আমেরিকায় মৃত ১২ হাজারে পৌঁছেছে; আর সংক্রমণ ৪ লক্ষ এখনো নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম । নতুন করে সংক্রমণ অথবা মৃত্যু দুই-ই খুব ধীরে ধীরে কমছে মানুষকে ঘরবন্দি রাখায় ফল দিয়েছে, বোঝা যাচ্ছে সেটাও। এই প্রবণতা দেখে আপাতত কিছুটা আশা-ভরসা পাচ্ছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনা পোল ডাটা থেকে তেমনটাই বলেছেন। তবে এখন আমেরিকার যা পরিস্থিতি, তাতে ফের একটা ৯/১১ দেখার মতো মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে গোটা দেশ, জানিয়েছেন সার্জেন জেনারেল ভাইস অ্যাডমিরাল জেরোম অ্যাডামস।
এখন তাই পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টিতে জোর দেওয়া হচ্ছে আমেরিকায়। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এতে যদি ঠিকমতো গুরুত্ব দেওয়া না হয়, তা হলে এই সপ্তাহ ছাড়াও আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফের করোনা-প্রকোপের শীর্ষ ছোঁবে আমেরিকা। এখন আমেরিকায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ লক্ষের কাছাকাছি। মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন হাসপাতালে এখন পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নেই বলে অভিযোগ উঠছে। মিশিগানের গভর্নর জানিয়েছেন, তাঁদের প্রদেশে সরঞ্জামের অভাব মারাত্মকপর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই সপ্তাহে নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি এবং ডেট্রয়েটে মৃত্যু এবং হাসপাতালে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় অতিরিক্ত বাড়বে। অন্য শহরগুলিতে একই ধাঁচে সংক্রমণ বাড়বে পরবর্তী সপ্তাহগুলোয়।
এখনো নতুন করে সংক্রমণ কমেনি মৃত্যু কমেনি ।নিউইয়রকে ভাইরাসের মৃত্যুহার নতুন করে আঘাত হানছ্ তবে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কমেছে।
নিউ জার্সি এবং কানেক্টিকাট-এ এ করোনা ভাইরাসে মৃত্যুর হার আজকে বেশি ।এই তিন রাজ্যের কর্মকর্তারা এখনও আশা করেন আমেরিকার ৯৭% মানুষ লকডউনে আছে তাই এই সংখ্যা কমে আসবে বলে আশা করেন।
নিউইরক , নিউজারসি ও কানেকটিকাট এই তিনটি রাজ্যে একদিনে 1,034 জন মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় ।এই প্রথম তিন এই অঞ্চলের এক দিনের সংখ্যা এক হাজারে উপরে পৌঁছে গেল ।
চিনে লকডাউন শিথিল হতে না হতেই ভিড় বাড়ছে বিভিন্ন পর্যটনস্থলে। করোনা-অতিমারির ঝুঁকি এখনও দূর হয়নি ।স্বাস্থ্য দফতরের এই সতর্কতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আনহুই প্রদেশের হুয়াংশান মাউন্টেন পার্কে মাস্ক পরেই হাজির জনতা। একই দৃশ্য সাংহাইয়ে। কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পরে শহরের বিভিন্ন নামী রেস্তরাঁয় মানুষের ঢল। বেজিংয়েও পার্ক এবং অন্য খোলা জায়গায় স্থানীয়দের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।এসব দেখে ট্রামপ প্রশাসন করোনার জন্য প্রতি দিন ই চিনের দিকেই আঙুল তুলছেন।
মার্কিন সিনেটের প্রভাবশালী সদস্য, বিচার বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান লিন্ডসে গ্রাহাম করোনাভাইরাস প্রার্দুভাবের জন্য চীনের কাঁচাবাজারে বাদুর আর বানর বিক্রিকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, চীন সারা বিশ্বের এ ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ি।
এদিকে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ওপর হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইনের কার্যকারিতা নিয়ে খোদ হোয়াইট হাউসে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে বলে জানা গেছে।
সুত্র: পূর্বপশ্চিম

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button