
নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-৪ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ব্যবহৃত জীপ গাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সিলেট জেলা যুবদলের বহিস্কৃত সহ-সংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেমকে প্রধান আসামী করে ১২ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। গাড়ির মালিক ও কাশেমের চাচাত ভাই জাফলং কান্দুবস্তীর সোহেল আহমদ ১০ ডিসেম্বর সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হচ্ছেন- গেয়াইনঘাট থানার শান্তিনগরের সিকন্দর আলীর পুত্র যুবদল সন্ত্রাসী জয়দুল হেসেন, জৈন্তাপুর থানার মজুমদার পাড়ার শামীম মিয়ার পুত্র নাইম মিয়া, গোয়াইনঘাট থানার নলজুরী আমস্বপ্ন গ্রামের সিকন্দর আলীর পুত্র আক্তার, একই গ্রামের খুরশেদ মিয়ার পুত্র সাদ্দাম, থানার গুচ্ছগ্রামের আমনু বাদশার পুত্র শাহীন আহমদ, নলজুরী আমস্বপ্ন গ্রামের পাগলা হান্নানের পুত্র বাবলা, একই গ্রামের পাগলা মন্নানের পুত্র রিফাত, নলজুরী দক্ষিণ বস্তীর বাবুল মিয়ার পুত্র জাহিদুল ভুইয়া, থানার গুচ্ছগ্রামের ডালিম, নলজুরী আমস্বপ্ন গ্রামের খুরশেদ মিয়ার পুত্র ইরণ মিয়া ও জৈন্তাপুর থানার ৪ নাম্বারের শফিক মিয়াসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন।
মামলায় অভিযোগ করা হয় গত ৯ ডিসেম্বর রাত দেড়টার দিকে সিলেট থেকে রওয়ানা দিয়ে জাফলং সড়কের বিয়াই রেস্টুরেন্টের সামনে পৌঁছামাত্র আবুল কাশেমের নেতৃত্ব ওঁৎ পেতে থাকা উল্লেখিত আসামীরা সোহেল আহমদের জীপ গাড়ির গতিরোধ করে হামলা চালায় ও গাড়ি ভাংচুর করে ৩৯ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। হামলাকারীরা গাড়ির চালক মারুফ আহমদ ও কাশেমের চাচাত ভাই রহমত আলীকে গুরুতর আহত করে। তারা গাড়িতে থাকা সোহেল মিয়ার ব্যবসায়িক সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও স্বক্ষর করা ২টি ব্যাংক চেক লুটে নেয়। জীপ গাড়িটি সাংসদ প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী তার নির্বাচনী প্রচার কাজে ব্যবহার করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুজ্জামান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আাসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে।



