অল্পের জন্য অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল অর্ধশত বসতবাড়ি

ঘিওর, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: সন্ধ্যার দিকে ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো ঘর আগুনে ছেয়ে যায়। বাড়ির লোকজনের চিৎকারে এগিয়ে আসেন প্রতিবেশীরা। ততক্ষণে পুড়ে ছাই রিকশা চালক হানিফ মৃধার একমাত্র ঘরটি। আগুনের সূত্রপাত হওয়া এই ঘরের পাশাপাশি (ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা) রয়েছে আরো ৬০ পরিবার।
পরে এলাকাবাসীর এক ঘন্টা অক্লান্ত চেষ্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল দরিদ্র পরিবারগুলো।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ এলাকাবাসী আগুন নেভানোর পর আসেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মানিকগঞ্জের ঘিওর সদর ইউনিয়নের পশ্চিম দোতরা গ্রামের শফি মৃধার ছেলে হানিফ মৃধার বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন ঘিওর ফায়ার সার্ভিস।
ইকবাল, শহিদ, আজগর, আয়নাল, রাজ্জাক, মুন্নাফ মাস্টারসহ শতাধিক এলাকাবাসী অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
হানিফ মৃধা বলেন আমি বাড়িতে ছিলাম না, গরুর খাবার আনতে মাঠে ছিলাম, খবর শুনে দৌড়ে এসে দেখি আমার একটি মাত্র থাকার ঘরটি পুড়ে গেছে। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, টাকা, জামাকাপড়, চাউল পুড়ে গেছে। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আরো ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছি। দ্রুত সময়ে আগুন না নেভালে প্রতিবেশীদের আরো অনেক ঘরবাড়ি পুড়ে যেত।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ঘিওর সদর ইউপি চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম টুটুল।
ঘিওর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সেলিম হাওলাদার বলেন খবর পেয়ে আমার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। এলাকাবাসী আগুন নিভিয়ে ফেলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম টুটুল বলেন ঘটনা শোনার সাথে সাথে আমি ওই এলাকায় গিয়েছি। শুক্রবার সরকারি বন্ধের দিন। সহায়তার জন্য বিভিন্ন কর্মকর্তাকে ফোন করে যথা সময়ে কোন সহায়তা পাই নি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের ইউনিয়ন পরিষদ ও ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করা হবে।




