‘অনন্যা পুরস্কারটি আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা’

শারমিন সুলতানা সুমি। দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘চিরকুট’-এর ভোকালিস্ট। বৈশাখে ব্যান্ড নিয়ে কনসার্টের ব্যস্ততা কাটিয়ে এখন পরবর্তী কাজগুলো নিয়ে ব্যস্ত আছেন। পাশাপাশি সম্প্রতি ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা’ পেলেন তিনি। এসব প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
বর্তমান সময়ের ব্যস্ততা নিয়ে শুরুতে জানতে চাইবো—
বৈশাখ উপলক্ষে টানা কয়দিন কনসার্ট করলাম আমরা (চিরকুট ব্যান্ড)। এখন কিছু প্রজেক্টের কাজ শুরু করবো। কয়েকটি চলচ্চিত্রের গান করবো। যেগুলো কনসার্টের জন্য এতদিন করতে পারিনি। সম্প্রতি একটি টেলিকম কোম্পানির কাজ করলাম। সেটি ছিল সারাদেশের শিশুদের নিয়ে। সম্প্রতি ফেসবুকে রিলিজ হয়েছে। শচীন দেব বর্মণের ‘তাকধুম তাকধুম’ গানটি নতুন করে করেছি। সেখানে সারাদেশের শিশুরা অংশ নিয়েছে। এছাড়া দেশের বাইরে শো করতে যাবো। সেই পরিকল্পনা চলছে।
সম্প্রতি ‘অন্যন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা’ পেলেন। অনুভূতির জায়গা থেকে কী বলবেন?
এটি সম্মানজনক একটি পুরস্কার। আমি সবসময় বলি, মানুষের ভালোবাসা সবচেয়ে বড় পুরস্কার, সেটি পেয়েছে। এই পুরস্কার আগে যারা পেয়েছেন তাদের সম্পর্কে জানতে পেরে সম্মানীতবোধ করেছি। অনন্যা পুরস্কারটি আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণা। পুরস্কারটি আমার একার না আমার ব্যান্ডের, পরিবারের সবার। আমি আজকে যা তার অনেকটাই আমার ব্যান্ডের জন্য।
অনেক ভোকালিস্ট ব্যান্ডের বাইরে নিজের একক ক্যারিয়ার গড়েছেন। আপনি কখনো চিরকুটের বাইরে নিজেকে চিন্তা করেন কি-না?
যারা একক ক্যারিয়ারের চিন্তা করেন এটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। ১৫ বছর ব্যান্ডের সাথে আছি। বাকি দিনগুলো ব্যান্ডের সাথেই থাকবো। ব্যান্ডের সাথে থাকতে আমি পছন্দ করি। খারাপ সময় বা ভালো সময় আমি একসাথে কাটাতে চাই।
‘চিরকুট’-এর গান অনেকটা শহর কেন্দ্রির বলা হয়ে থাকে। আপনি কী বলবেন?
এটা কখনো না। শহর নিয়ে আমরা গান করেছি কিন্তু শহর কেন্দ্রিক নয়। আমরা মানুষের গল্প বলি। মানুষের দর্শনের কথা বলি।
গানের এখনকার অবস্থা যদি আপনার জায়গা থেকে মন্তব্য করতে বলি, কী বলবেন?
এটি নিয়ে খুব বেশিকিছু বলার মতো আমি কেউ না। এটুকু বলতে পারি আমাদের মিউজিক ইতিবাচকভাবে দেখি। নতুন যারা কাজ করছেন সবাই বেশ ভালো করছেন। তবে শিল্পীদের গানের স্বত্ব নিয়ে সরকার পদক্ষেপ নিলে ভালো হয়।
ইত্তেফাক।




