অবশেষে মতিউন নেছার পাশে দাঁড়ালেন জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা

রাহুল সরকার : পতাকা২৪.কমে ‘মতিউন নেছার ঘরে মানবতা কাাঁদে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর তার সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর ইউপি চেয়ারম্যান নিজ অর্থায়নে তার ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন। একাজে তাকে সহযোগিতা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণ অধিদপ্তর থেকে এক বাণ্ডিল ঢেউটিন ও তিন হাজার টাকা প্রদাণ করেন। এছাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী সুইট চলাচলে অক্ষম ওই নারীকে একটি হুইল চেয়ার প্রদাণ করেছেন।
বুধবার সরেজমিন মধুপুর ইউনিয়নের রাজারামপুর এলাকার দলপাড়া পরিদর্শণকালে দেখা গেছে শ্রমিকরা মতিউন নেছার ঘর তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর তা’ তদারকি করছেন ইউপি মেম্বার আমিরুল ইসলাম। এসময় ওই নারীর বড়ছেলে মহিউদ্দিন সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, একটি মাত্র খবরের কল্যাণে আমার মা একটি ভাল পরিবেশে বাকী জীবনটা কাটাতে পারবেন। ইউপি মেম্বার আমিরুল ইসলাম বলেন, ঘরের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখানেই থাকব। মধুপুর ইউপি চেয়ারম্যান আয়নাল হক বলেন, কিছু হোক আর না হোক ওই নারী যেন একটা ভাল ঘরে শুয়ে থেকে মৃত্যুবরণ করতে পারেন সেজন্য একাজে এগিয়ে এসেছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, খবরটা চোখে পড়ার সাথে সাথেই ওই নারীর জন্য প্রথমে ২০ কেজি চাল প্রদাণ করেছি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশ ক্রমে এক বাণ্ডিল ঢেউটিন ও তিন হাজার টাকা প্রদাণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী
হাসান বলেন, যদি কোন প্রকল্প পাওয়া যায় তাহলে ওই নারীর ঘর পাকা করে দেয়া হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী সুইট বলেন, খবরটি নজরে আসার সাথে সাথেই খোঁজ নিয়ে দেখলাম ইউপি চেয়ারম্যান আয়নাল হক ওই নারীর জন্য অনেককিছুই করছেন। একারণে আমি শুধুমাত্র একটি হুইল চেয়ার দিয়েছি। এরপর অন্যকিছুর প্রয়োজন হলে তা’ ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে পরামর্শক্রমে করা হবে।



