এশিয়ায় এসে পাল্টে গেছে করোনা: ‘প্রমাণ’ পেয়েছে ভিয়েতনাম

ইউরোপের করোনাভাইরাস আর এশিয়ার করোনাভাইরাস ভিন্ন- এমন প্রমাণ পেয়েছে বলে দাবি করছে ভিয়েতনাম। তাদের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হাইজিন অ্যান্ড এপিডেমিওলজি এমন দাবি করে।
তারা জানায়, করোনাভাইরাস দুটি পৃথক গোষ্ঠীতে বিভক্ত। এশিয়ার করোনাভাইরাস ইউরোপ থেকে আলাদা।
সংস্থাটির উপপরিচালক লি থাই কুয়ান মাই বলেন, দুই এলাকার ভাইরাসের মধ্যে পরিষ্কার পার্থক্য রয়েছে। এটা প্রাকৃতিকভাবেই ঘটে, যখন কোনো ভাইরাস এক ধরনের জীব শরীর থেকে অন্য জীব শরীরে যায়। এ ভাইরাস আরো বিবর্তিত হবে। আমরা এ বিষয়ে তীক্ষ্ণ নজর রাখব।
তবে সংস্থাটি এখনো নিশ্চিত নয় এ পার্থক্যের কারণে ভাইরাসটি মানব শরীরের জন্য বেশি না কম ক্ষতিকর হবে।
এর আগে লি থাই কুয়ান ও তার সহকর্মীরা ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে ভাইরাসটির নতুন স্ট্রেন পৃথক করেছিলেন।
করোনার নতুন স্ট্রেন ধরতে পারা বিশ্বের চারটি দেশের মধ্যে একটি হলো ভিয়েতনাম। আর সেটি করে দেখিয়েছিলেন লি থাই কুয়ান ও তার সহকর্মীরা।
ভিয়েতনাম সবচেয়ে কম সময়ে করোনা সনাক্তের কিট আবিষ্কার করেছে যা যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের কিটের তুলনায় সহজ ও কার্যকর বলে তারা দাবি করছে।
দেশটিতে প্রথম যে করোনা রোগী শনাক্ত হয় তিনি চীন থেকে এসেছিলেন। তবে পরবর্তীতে বেশিরভাগ রোগী আসেন ইউরোপ থেকে।
লি থাই কুয়ান বলেন, এখনো পর্যন্ত গবেষণায় দেখা গেছে, আলাদা দুটি করোনাভাইরাসের মধ্যে একটি সংক্রামক বা শক্তিশালী বেশি। আর পরিবেশ, ভৌগোলিক অবস্থান ও সংক্রমিত ব্যক্তির ওপরও নির্ভর করে ভাইরাসের শক্তিশালী দিকটি।
তিনি আরো বলেন, ভাইরাসের এমন পরিবর্তনগুলো শনাক্ত করার ফলে ভ্যাকসিনের উৎপাদন সহজ হবে।
সূত্র: দ্য স্টার।



