চীন ভয়ংকর আগুনে ১০ হাজার করোনা আক্রান্ত লাশ পোড়ালো!

নতুন করোনা ভাইরাস চীনে আরও ৯৭ জনের মৃত্যু ঘটিয়েছে। গত ছয় সপ্তাহে ১১১৩ জন মারা যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে চীন সরকার। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪ হাজার। আর চীনের মূল ভূখণ্ডের বাইরে এ পর্যন্ত ফিলিপিন্স ও হংকংয়ে দুই চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে এ ভাইরাসে, যার নতুন নাম দেওয়া হয়েছে কভিড-১৯ (করোনাভাইরাস ডিজিজ)।
চীনে জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার একদিনে এ ভাইরাসে মারা গেছেন ৯৭ জন; তাদের মধ্যে ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে হুবেই প্রদেশে।
সম্প্রতি উহান প্রশের স্যাটেলাইট পিকাচারে গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত। যেখানে দেখা যাচ্ছে, বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা এতটাই তীব্র যে সেই এলাকাগুলোকে একেবারে আলাদা করে চিহ্ণিত করা যাচ্ছে।
ডেইলি মেইল এই স্যাটেলাইট ইমেজের খবর প্রকাশ্যে এনেছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যমটির বরাত দিয়ে নিউজ এইটটিনের খবর, চীনে করোনা আক্রান্ত ১০ হাজার ব্যক্তির মৃতদেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত অঞ্চলে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘন মিটারে ১৩৫০ (µg/m3)। এমনই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি ঘনমিটারে ৮০ এর বেশি সালফার ডাই অক্সাইড থাকলেই তা যথেষ্ট ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। সাধারণ নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টস গণপশু মৃত্যু, প্রচুর কেমিক্যাল বর্জ্য থেকে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা বাড়তে পারে। তবে এ ধরনের মাত্রা হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, উহানে গণহারে করোনা আক্রান্ত মানুষের অগ্নিসৎকার চলছে।
এই গণসৎকারের তত্ত্ব আরও জোরালো হচ্ছে আরেকটি কারণে। উহান ছাড়া আরও একটি জায়গায় বাতাসের সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা অত্যন্ত বেশি। আর সেটা হল চোংকিয়াং। উহানের পর দক্ষিণ চীনের এই প্রদেশ সবচেয়ে খারাপভাবে করোনা আক্রান্ত। এখানে প্রতি ঘনমিটারে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের পরিমাণ ছিল ৮০০। এরপরই চীন নিজেদের দেশে হওয়া মহামারির খবর লুকাতে লাশ জ্বালিয়ে দিচ্ছে তত্ত্বটিতে সিলমোহর দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে।




