ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব বন্দডাকপাড়া আবাসিক এলাকায় রবিবার দুপুর ১২ টায় মারুক আহমেদের কেমিকেল গোডাউনে বিস্ফারণ হওয়ার পর অবশেষে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নেভাতে গিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী বর্ণনা থেকে জানা যায়, বিস্ফারণে গোডাউনের টিনের চাল উড়ে যায়। এলাকাবাসী এ সময় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিট ঘটনা স্থালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
কেরানীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় ও তাদের চেষ্টায় দ্রুত আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানায়, তারা নিজেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কেমিকেল গোডাউনের আগুন নেভাতে সাহায্য না করলে ওই এলাকায় প্রায় ৫০ বাড়ি আগুনে পুড়ে যেত। এ ক্ষেত্রে প্রাণহানির সম্ভাবনা ছিলো বলে জানান তারা। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, বিস্ফোরণে গোডাউনের প্রায় এক হাজার ফুটের মধ্যে থাকা সকল বাড়ি-ঘর এবং একটি মসজিদের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পর কেমিকেল ব্যবসায়ীরা কেরানীগঞ্জের আতাশুর, কালিন্দী, ডাকপাড়া, চুনকুটিয়া সহ ১২ টি আবাসিক এলাকায় এরকম ৫০টি কেমিকেলের গোডাউন রয়েছে। এ নিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ইত্তেফাক পত্রিকায় ‘কেরানীগঞ্জ আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক গোডাউন, এলাকাবাসী আতংকিত’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়।
এরপর সরকার কেরানীগঞ্জের আবাসিক এলাকা থেকে কেমিকেল গোডাউন সরিয়ে নিতে নির্দেশ দিলেও স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশ এখনো কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এলাকাবাসীর দাবি, সরকার যেন দ্রুত কেরানীগঞ্জের আবাসিক এলাকা থেকে সব কেমিকেল সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
ইত্তেফাক




