সাব্বিরের ফেরার দিনে কুমিল্লার দাপুটে জয়

অনেক দিন ধরেই ব্যাটে রান নেই সাব্বির রহমানের। জাতীয় দল থেকে তাই জায়গা হারিয়েছেন। কদিন আগে শেষ হওয়ার জাতীয় ক্রিকেট লিগেও সেভাবে হাসেনি তার ব্যাট। সেই সাব্বিরকে অবশেষে জ্বলে উঠতে দেখা গেল বিপিএলে।
বুধবার রংপুর রেঞ্জার্সের বিপক্ষে সাব্বির খেললেন ৪০ বলে ৪৯ রানের ইনিংস। সৌম্য সরকার, ডেভিড মালান, ভানুকা রাজাপক্ষও খেললেন কার্যকরী ইনিংস। তাতে রংপুরের দেওয়া ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জিতল কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জয় তুলে নেয় কুমিল্লা। টস জিতে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৮১ রানের পুঁজি গড়ে রংপুর। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে কুমিল্লা।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে যেমন শুরু চাই কুমিল্লাকে ঠিক তেমন শুরুই এনে দেন ভানুকা ও সৌম্য সরকারের উদ্বোধনী জুটি। ৭ ওভারে এই দুজন স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৬১ রান। মোহাম্মদ নবীর শিকার হওয়ার আগে ভানুকা ১৫ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় খেলেন ৩২ রানের ইনিংস।
এরপর সৌম্য-সাব্বির মিলে এগিয়ে নেন কুমিল্লাকে। সৌম্য ৩৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৪১ রান। দুজনের জুটিতে আসে ২৯ রান। ১৭তম ওভারে দলীয় ১৪৬ রানে ফেরেন সাব্বির। ৩ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজিয়েছিলেন তিনি।
এরপর মালানের ব্যাটে বাকি কাজ সেরেছে কুমিল্লা। ২৪ বলে অপরাজিত ৪২ রান করেন তিনি ২ চার ও ৩ ছক্কায়। অধিনায়ক দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ১২ রান।
হাই-স্কোরিং ম্যাচে যা হয়, শেষ দিকে ম্যাচে উত্তেজনা ছিল দারুণ। কিন্তু উইকেট হাতে থাকায়ে সেই পরীক্ষায় উতরে গেছে কুমিল্লাই। রংপুরের পক্ষে ১টি করে উইকেট নিয়েছেন নবী, মুকিদুল, মোস্তাফিজ ও টম অ্যাবেল।
এর আগে রংপুর বড় স্কোর গড়ে আফগান তারকা মোহাম্মদ শাহজাদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। মাত্র ২১ বলে ফিফটি হাঁকান এই ডানহাতি। সানজামুলের শিকার হওয়ার আগে ২৭ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬১ রান করেন তিনি।
এ ছাড়া মোহাম্মদ নবী ২৬, অ্যাবেল ২৫ রান করেন। কুমিল্লার পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট নেন মুবিজ-উর-রহমান। দারুণ ব্যাটিংয়ে ম্যাচ শেষ করে আসা মালান পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।




