
পুজোর আনন্দে সবে মেতে উঠেছেন বঙ্গবাসী। শুরুতেই সেই রেশ কেটে গেল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকের একটি শপিং মলের বেসমেন্টে আগুন লেগে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল মুহূর্তের মধ্যে। পুজোর কেনাকাটার ভিড়ের মধ্যেই এমন দুর্ঘটনায় দ্রুত মলটি খালি করে দেওয়ার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৯টি ইঞ্জিন। গাড়ি ওয়েল্ডিং করার সময়ে আগুনের ফুলকি থেকেই আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
সল্টলেকের এএনপি বৈশাখী মল স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে কেনাকাটার জন্য বেশ জনপ্রিয়। বহুতল মলটির একেবারে বেসমেন্টে রয়েছে পার্কিংয়ের জায়গা। দুপুর নাগাদ আচমকা সেখান থেকেই দাউদাউ আগুন চোখে পড়ে মলের কর্মীদের। প্রচুর গাড়ি থাকায়, দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি গাড়ি পুড়ে গিয়েছে। দমকলকে খবর দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত ভিড়ে ঠাসা শপিং মলটি খালি করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রথমে দমকলের ২টি ইঞ্জিন সেখানে যায়। ধীরে ধীরে ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ৯টি ইঞ্জিনের সাহায্যেও শপিং মলের আগুন নেভাতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে খবর। অত বড় মলটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা দমকলবাহিনীর কাছেও একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একে দাহ্য পদার্থ, তার উপর সংকীর্ণ জায়গা – জোড়া প্রতিকূলতা সামলে কাজ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। তবে অগ্নিকাণ্ডের ফলে ব্যবসায় প্রচুর ক্ষতির আশঙ্কায় মাথায় হাত পড়েছে মল কর্তৃপক্ষের। কেনাকাটার আনন্দ মুহূর্তের মধ্যেই তীব্র আতঙ্কে বদলে গেল। পুজোর আনন্দই মাটি হয়ে গিয়েছে এখানে।
দিন দুই আগেই রাতের বেলায় এমনই বিধ্বংসী আগুনে জ্বলে উঠেছিল খিদিরপুরের ফ্যান্সি মার্কেট। সেখানেও বিপুল টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু সামগ্রী। পঞ্চমীতে সল্টলেকের বৈশাখী মলও সেই একই বিপর্যয়ের মুখে পড়ল।
সংবাদ প্রতিদিন




