আন্তর্জাতিক সংবাদশিরোনাম

ব্রিটিশ কনস্যুলেটের সামনে হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থিদের বিক্ষোভ

হংকংয়ে ব্রিটিশ কনস্যুলেট অফিসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন গণতন্ত্রপন্থিরা। রবিবার শত শত লোক জড়ো হয়ে সেখানে বিক্ষোভ করে। ১৯৯৭ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকেই চুক্তির মাধ্যমে হংকং চীনের অন্তর্ভূক্ত হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ‘ঈশ্বর রানীকে রক্ষা কর’ গান গেয়েছেন তারা। বিক্ষোভকারীদের হাতে যুক্তরাজ্যের পতাকাও ছিল।
তারা হংকংয়ে পরিপূর্ণ গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভ করে। পুলিশি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভ করে তারা। চীন অবশ্য হংকং ইস্যুতে অন্য দেশকে নাক গলানোর ব্যাপারে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
হস্তান্তরের আগে চীনকে ‘এক দেশ দুই নীতি’ বজায় রাখার ব্যাপারে নিশ্চয়তা নিয়েছিল যুক্তরাজ্য। গত মাসে বন্দি প্রত্যার্পণের মাধ্যমে হংকংয়ের জনগণকে চীনের মূল ভূখণ্ডে বিচারের বিধান সংক্রান্ত একটি বিল পাস করে। এর প্রতিবাদে সেখানে আন্দোলন শুরু হয়। পরে হংকং সরকার সেই বিলটি প্রত্যাহার করে নিলেও পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিক্ষোভ করে আসছে। তারা আন্দোলনে পুলিশি নির্যাতনের তদন্তও দাবি করছে।
এক দেশ দুই নীতির ভিত্তিতে চীনের সঙ্গে অন্তর্ভূক্ত আছে হংকং। যেখানে সর্বোচ্চ পর্যায়ের স্বায়ত্বশাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌম সংসদ রয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীরা বলছিলেন, এক দেশ দুই নীতি এখন মৃত এবং হংকংয়ের স্বাধীনতা দাও।
যেহেতু যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমেই হংকংয়ে ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছিল তাই যুক্তরাজ্যের কাছে তারা বিভিন্ন দাবি জানিয়েছে। একজন বিক্ষোভকারী বিবিসিকে বলেন, এটা অঙ্গীকার করা হয়েছিল যে হংকংয়ের জনগণ মৌলিক মানবাধিকার ভোগ করবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তাই যুক্তরাজ্য সরকারের আইনগত অধিকার আছে হংকংয়ের জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার।
বিক্ষোভকারীদের অনেকে যুক্তরাজ্যের (বিদেশি) পাসপোর্ট প্রদর্শন করে। এই পাসপোর্টের মাধ্যমে হংকংয়ের জনগণ বছরে ছয় মাস সেখানে কাজ করার সুযোগ পায়। বর্তমানে অন্তত ৬০ হাজার মানুষ এ ধরনের ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী রয়েছে সেখানে। ইত্তেফাক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button