জাতীয়শিরোনাম

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কে ৭০ কি. মি যানজট

অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ৭০ কিলোমিটার এলাকায় দুই পাশে যানজট লক্ষ্য করা গেছে। রাত বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে যানজট। মহাসড়কের মির্জাপুরের গোড়াই হাটুভাঙ্গা এলাকায় অসমাপ্ত আন্ডারপাসের দুই পাশেই যানজট দেখা গেছে। ঈদে বাড়ি ফেরা যাত্রীরা শিকার হচ্ছেন দুর্ভোগের। যানজট নবীনগর, চন্দ্রা, বাইপাইল ও শফিপুরে ছাড়িয়ে গেছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।
শনিবার রাতে গোড়াই হাইওয়ে ও মির্জাপুর থানা পুলিশ জানায়, ঈদকে সামনে রেখে এই মহাসড়ক দিয়ে টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর জেলার যানবাহন ছাড়াও উত্তরাঞ্চলের ২২টি জেলার অন্তত ৫০টি রোডের যানবাহন চলাচল করছে। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। মহাসড়কের গোড়াই এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটার মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণ হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের চরম অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার কারণে এই এলাকায় যানজট দীর্ঘ দিন ধরে।
একই অবস্থা রাবনা পাইপাস, এলেঙ্গা ও বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায়। এখন সবচেয়ে বেশি যানজটে স্থবির হয়ে পড়েছে রাবনা বাইপাস থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা পর্যন্ত। টোল প্লাজায় টোল আদায় মাঝে মাঝে বন্ধ থাকায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম প্রান্তের কড্ডা মোড়, নকলা ব্রিজ ও হাটিকুমরুল এলাকায় যানবাহনের ধীর গতি যানজটের মূল কারণ।
একই অবস্থা মহাসড়কের করনি আন্ডারপাস, কদিম ধল্যা আন্ডারপাস, জামুর্কি আন্ডারপাস, নাটিয়াপাড়া ও করটিয়া এলাকায়। অসময়ে আন্ডারপাস গুলো নির্মাণ এ যানজটের জন্য দায়ি বলে জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক, যাত্রী ও পুলিশ। আন্ডারপাসের নিচে কাঁচা মাটি ও ইট বালি ফেলায় কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে মাটি নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে। ফলে লোড, আনলোড ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, লড়ি ও যাত্রীবাহী বাস ঠিকমত পারাপার হতে পারছে না। এছাড়া পরিবহন শ্রমিকদের নিয়ম-শৃঙ্খলা না থাকায় যানজট তীব্র হচ্ছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার (ওসি) মো. জাহিদুল আলম ও মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান বলেন, যানজটের মুল কারণ মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ। যানজট নিরসনের জন্য পুলিশ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু একসেস রোডে যানজট নিরসনের জন্য সাতশ পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনী কাজ করছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট, ইউএনও এবং এসিল্যান্ডগণ দিনরাত মহাসড়কে কাজ করে যাচ্ছেন।
ইত্তেফাক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button