শিক্ষাশিরোনাম

বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে রাজুতে সরগরম আন্দোলনকারীরা

সরকারি চাকরিতে আবেদনের সময়সীমা ৩৫ বছরে উন্নীত করার দাবিতে আবারো মাঠে নেমেছেন আন্দোলনকারীরা। অনেক দিন ধরে টানা প্রস্তুতি শেষে শনিবার (০৬ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ে সংগঠিত ছাত্র সংগঠন” বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র-পরিষদ” (কেন্দ্রীয় কমিটি) এর ব্যানারে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
আন্দোলনকারীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর সবার অংশগ্রহণে বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ দাবিতে আন্দোলনকারীরা। শাহবাগ এলাকাতেও অবস্থান নিতে পারেন সংশ্লিষ্ট চাকরিপ্রার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত টানা কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান।
এসময় আন্দোলনের মুখপাত্র ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, দশম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পরপর তিনবার সুপারিশের পরও কেন সরকার এটিকে উপেক্ষা করছেন। সরকার জনগণের পক্ষেই কাজ করেন তাহলে আমাদের এই ২৮ লাখ তরুণ ছাত্র সমাজের এই গণদাবি কেন অবহেলা করছেন?
এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে গত সাত বছর ধরে এই আন্দোলন করে আসছি তাই আবারো বলতে চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে এই দাবিকে মেনে নেন এবং ৩৫ বাস্তবায়ন করে দিন। আমরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচী অব্যাহত রাখব।
সংগঠনটির আরেক সিনিয়র নেতা এমএ আলীবলেন, আমরা দীর্ঘ ৭ বছর ধরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর নিকট আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ে ৩৫ বাস্তবায়ন করে আমাদের বাঁচার সুযোগ করে দিন।
উল্লেখ্য, টানা কয়েক বছর ধরে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। তবে জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে নাকচ হয়েছে ৩৫ এর সব চাওয়া-পাওয়া। তারপরও আন্দোলন থেকে সরে আসেননি আন্দোলনকারীরা। সাংগঠনিকভাবে কিছুটা গুছিয়ে উঠে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।
এক মাস আগেও কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে চাকরিতে বয়সসীমা ৩৫ চাই আন্দোলন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। তবে পরে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ঐক্যের ডাক দেন সবগুলো গ্রুপ। সব পক্ষ এক হয়ে নতুন করে কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটির মুখপাত্র হয়েছেন সঞ্জয় দাস ও ইমতিয়াজ হোসেন। এছাড়া সমন্বয়ক হয়েছেন, এম এ আলী ও হারুন অর রশিদ। ফলে এবার আন্দোলনে সফলতার ব্যাপারে আশাবাদী চাকরিপ্রার্থীরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button