
এখন পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে পরিত্যক্ত হয়েছে ৪টি ম্যাচ, যা কিনা একটি রেকর্ড। বৃষ্টির কারণে এর আগে কোনও বিশ্বকাপে এতগুলো ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়নি।
৭ জুন ব্রিস্টলে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়। সেই ম্যাচে টসও হয়নি। এরপর ১০ জুন সাউদাম্পটনে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার ম্যাচটিতে মাঠে গড়ালেও বৃষ্টির কারণে খেলা হয় মাত্র সাত ওভার তিন বল। পরে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ মঙ্গলবার ব্রিস্টলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হলো। ম্যাচটিতে টসও হয়নি। আর আজ ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যের ম্যাচটিও পরিত্যক্ত হলো। এ ম্যাচও বৃষ্টির জন্য টস হয়নি।
বৃষ্টির জেরে ইতোমধ্যে সোস্যাল মিডিয়ায় ট্রোল্ড ব্রিটেনে আয়োজিত এই বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা। সাবেক ক্রিকেটার থেকে সমালোচক সকলেই আশঙ্কা করছেন যে, বৃষ্টি যেভাবে ব্রিটেনের আকাশে পসরা বসিয়েছে, তাতে শেষ পর্যন্ত না পানির নিচে চলে যায় এবারের বিশ্বকাপ। আর এবার সেই আশঙ্কাতেই অতিরিক্ত মাত্রা যুক্ত করলেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিয়াক কেভিন পিটারসেন।
কেভিন তার ইস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে সেই সম্ভবনারই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পানির নিচে শ্বাস নেওয়ার যন্ত্র মুখে দিয়ে খেলা হচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেট। ছবিতে লেখা ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল-২০১৯। আর এই ছবিই ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
এবার প্রথম দফার খেলার জন্য কোনো অতিরিক্ত দিন রাখা হয়নি। এ বিষয়ে আইসিসি সিইও ডেভিড রিচার্ডসন বলেন, প্রথম দফার খেলায় রিজার্ভ ডে রাখা হলে খেলার দিন আরও বেড়ে যেত তাই তা রাখা হয়নি।
এদিকে পানির নিচে বিশ্বকাপ ফাইনালের ভাইরাল সেই ছবিতে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, ক্রিকেট বিশ্বকাপ যদি সত্যিই পানির নিচে হতো তাহলে আর কোনও ম্যাচ পরিত্যক্ত হতো না।
আরেকজন লিখেছেন, আই ছিঃ ছিঃ এর অনুমোদন দরকার, এটাই এখন সময়ের দাবি।
যেই দেশে বারোমাস বৃষ্টি সেই দেশে পানির নিচে বিশ্বকাপ? বিশ্বকাপটা ইংল্যান্ড রেখে দিলেই হয়!
একজন লিখেছেন, ‘আমরা খেলা চাই, পরিত্যক্ত ম্যাচ চাই না।’ আরেকজন লিখেছেন, “এবারের বিশ্বকাপ পানির নিচে হবে, কি বলেন আপনারা?




