সেই কাণ্ডে ‘নির্দোষ’ রাবাদা! আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট স্রেফ তামাশা

আপিলে জয়ী হলেন কাগিসু রাবাদা। মুক্তি পেলেন দুই টেস্টে নিষিদ্ধ হওয়ার খড়গ থেকে। মঙ্গলবার এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে আইসিসি জানায়, কোড অব কন্ডাক্ট ভঙের শাস্তির বিরুদ্ধে আপিলে জয়ী হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা। তার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দারুণ সুখবর স্বাগতিকদের জন্য। কারণ তৃতীয় টেস্টে অংশ নিতে কোনো বাধা রইল না রাবাদার।
চার ম্যাচের সিরিজে আফ্রিকানদের ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফেরাতে মুখ্য অবদান রাখেন এই তরুণ পেসার। পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে তার একার বোলিং তাণ্ডবেই হার নিশ্চিত অস্ট্রেলিয়ার। দুই ইনিংস মিলিয়ে রাবাদার ১১ উইকেট এক্স ফ্যাক্টর ভূমিকা পালন করেছে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের ফলাফল নির্ধারণে। তরুণ পেসারের আপিল সফল হওয়ায় উচ্ছ্বসিত আফ্রিকানদের সাথে প্রকাশ্য দ্বিমত প্রকাশ করেছেন বর্ষীয়ান ক্রিকেট সাংবাদিক রবার্ট ক্রাডক।
গতকাল দ্য ব্যাক পেজ লাইভ গ্রোগ্যোমে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘রাবাদার আপিল সফল হওয়ার ঘটনা ক্রিকেটের জন্য সুখবর নয়। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট স্রেফ তামাশার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।’
গতকাল আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রাবাদার আপিল সফল হওয়ার ঘোষণা দেয় আইসিসি। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘কোড অব কন্ডাক্ট ভঙের অভিযোগে দোষী প্রমাণিত হননি রাবাদা। শুনানিতে স্টিভেন স্মিথের সাথে রাবাদার ইচ্ছাকৃত অশোভন আচরণের অভিযোগের সপক্ষে কোনো প্রমাণ শুনানিতে অংশ নেয়া প্যানেলের সদস্যরা দেখতে পারেননি।’
আইসিসির শুনানিতে হালকা ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন রাবাদা। এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত কোড অব কন্ডাক্টকে ক্রিকেটের স্পিরিটের সাথে সম্পর্কযুক্ত হিসেবে দেখা হয়। ফলে পোর্ট এলিজাবেথ টেস্টে রাবাদার তিন ডিমেরিট পরিণত হয ১ পয়েন্টে, যা সরাসরি প্রভাব রেখেছে তার সিরিজের সম্মিলিত ডিমেরিট হজমের সংখ্যা ৭-এ অবনমনে। কোনো ক্রিকেটার ৮ ডিমেরিট পয়েন্ট হজম করলেই দুই ম্যাচের অটোম্যাটিক নিষেধাজ্ঞা হজমের ফাঁদে আটকা পড়বেন। রাবাদা রক্ষা পেয়েছেন সব মিলিয়ে ১ ডিমেরিট পয়েন্ট কম হজমের আওতায়। ফলে তৃতীয় টেস্টে তার অংশ্রগ্রহণেও কোনো বাধা রইল না।
আগামীকাল কেপটাউনে শুরু হবে অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার চার ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টেস্ট।




