
অত্যন্ত গোপনে তৃতীয়বারের জন্য বিয়েটি সেরে ফেলেছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট তারকা এবং আলোচিত রাজনীতিবিদ ইমরান খান। পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান নাকি আধ্যাত্মিক গুরুকে বিয়ে করেছেন। নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে লাহোরে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছে।
পাকিস্তানের দি নিউজ, ভারতের হিন্দুস্তান টাইমসসহ বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে প্রকাশ বিয়ের আসর বসেছিল লাহোরের ওয়াই সেক্টরের ডিফেন্স হাউজিংয়ে। কনের আত্মীয়ের বাড়িতে। কাজির ভূমিকায় ছিলেন পিটিআই-র কোর কমিটির সদস্য মুফতি সাইদ। ২০১৫-তে ইমরান যখন রেহাম খানকে বিয়ে করেন তখনও কাজির কাজটি তিনিই করেছেন। দলের রাজনৈতিক সম্পাদক আওন চৌধুরি দলীয় প্রধানের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সূত্র এই খবরে সিলমোহর দিয়েছে। ১ তারিখে লাহোরে ইমরান খানের সঙ্গে ছিলেন আওন চৌধুরি। যদিও বিয়ে সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এককথায় নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
দলের পক্ষ থেকেও এই বিয়ের খবরকে আমল দেয়া হয়নি। দলের মুখপাত্র নাইমুল হক এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘প্রায় ৩৫ বছর ধরে আমি তার সঙ্গে আছি। পুরো সময়টাতেই তার ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখার চেষ্টা করে এসেছি। তারপরও চূড়ান্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলছি এমন কিছুই ঘটেনি। যদি বিয়ের কোনো পরিকল্পনা থেকেও থাকে তবে তা ২০১৮-র সাধারণ নির্বাচনের পরেই ঘটবে।’
জানা গেছে, আধ্যাত্মিক গুরু আসলে ইমরান খানের বান্ধবী। এই মুহূর্তে ইমরানের নববিবাহিতা স্ত্রী হিসেবে যার নামে গুজব ছড়িয়েছে। মাস কয়েক আগে সেই মহিলা বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেছিলেন। প্রধানত আধ্যাত্মিক কারণেই তাঁরা বিবাহ বিচ্ছেদে গিয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছেন মহিলার প্রাক্তন স্বামী। তিনিও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ প্রধানের সঙ্গে প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়ের খবর অস্বীকার করেছেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৫-র ১৬ মে প্রথম বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই খ্যাতনামা পাকিস্তানি ক্রিকেটার। প্রথম স্ত্রীর নাম জেমাইমা খান। ২০০৪-এ বিবাহ বিচ্ছেদের পর এক টিভি তারকার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন। ২০১৫-তে রেহম খানের সঙ্গে বিয়ে হয়। এই বিয়ের মেয়াদ মাত্র ১০ মাস। আধ্যাত্মিক গুরুকে বিয়ে করে (আদৌ বিয়েটা হলে) তৃতীয়বারের জন্য বিবাহিত হলেন ইমরান খান।
উল্লেখ্য, রেহম খানের সাথে বিয়ের সময়ও প্রথমে তা অস্বীকার করেছিলেন ইমরান খান।



