অর্থনৈতিক সংবাদশিরোনাম

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট ৯ শতাধিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে

কর্মশালায় তথ্য
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ পর্যন্ত ২০৮টিরও বেশি ফসলের ৫১২টি উচ্চ ফলনশীল (হাইব্রিডসহ), রোগ প্রতিরোধক্ষম ও বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ প্রতিরোধী জাত এবং ৪৮২টি অন্যান্য প্রযুক্তিসহ এযাবৎ ৯০০টিরও বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে।
আজ মঙ্গলবার গাজীপুরস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী বারি প্রযুক্তি হস্তান্তর কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো: নাসিরুজ্জামান। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. ভাগ্য রানী বণিক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আব্দুল আজিজ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএআরআইয়ের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. পরিতোষ কুমার মালাকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো: নাসিরুজ্জামান বলেন, দেশের জনসংখ্যা বাড়ছে আর জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যা বাড়ার ও জমি কমার হার কিন্তু সাংঘাতিকভাবে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবু নতুন শিশু প্রতিবছরে জন্মাচ্ছে। ওদিকে প্রায় ৬৮ হাজার হেক্টর জমি চাষযোগ্য আওতার বাইরে চলে যাচ্ছে। ১৬ কোটি মানুষের খাওয়ানোর দায়িত্ব এই কৃষি মন্ত্রণালয় সার্থকভাবে পালন করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বড় ধরনের ভূমিকা আছে। পুষ্টি সমৃদ্ধি খাবার যোগান নিশ্চিতকরণের জন্য তিনি বিএডিসি, ডিএই ও বারিকে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথা বলেন।
আয়োজকরা জানান, বারি সাম্প্রতিক সময়ে যেসব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে এগুলো দ্রুত কৃষক পর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, এনজিও কর্মী, বেসরকারি বীজ কোম্পানী ও কৃষকদের প্রশিক্ষিত করে তোলাই এ কর্মশালার প্রধান উদ্দেশ্য।
কর্মশালায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নার্সভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিএডিসি, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও ও কৃষিসংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিজ্ঞানীবৃন্দ এবং কৃষক প্রতিনিধিসহ প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার আয়োজকরা আরো জানান, বিএআরআই কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচনসহ গবেষণা ও সম্প্রসারণ কর্মীদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ অন্যান্য বিষয়গুলো এ কর্মশালায় অধিকতর গুরুত্ব পাবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button