‘ঢাকা অ্যাটাক ২’ আরও বিগ হিট নিয়ে আসবে: দীপন

ধারাবাহিকভাবেই ইতিবাচক দিকে এগুচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্র। সফল চলচ্চিত্রের তালিকাটাও বড় হচ্ছে। বছরের এই শেষ পর্যায় সেই সফলতার ঝুড়িতে জমা পড়লো ‘ঢাকা অ্যাটাক’। নিজের প্রথম ছবির সাফল্যে বেশ আনন্দিত ছবিটির নির্মাতা দীপঙ্কর দীপন। চলচ্চিত্রটির প্রসঙ্গ ও তার পরবর্তী কাজসহ নানা বিষয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন নুরুল করিম
কেমন আছেন?
ভালো আছি। ‘ঢাকা অ্যাটাক’ মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের কাছ থেকে যেমন ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি এতে ভালো থাকার সময়টা চলছে।
মুক্তির বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল। ছবিটির বিভিন্ন দিক নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে, মাহীর সাংবাদিক উপস্থিতির দুর্বলতার বিষয়টিও এরমধ্যে রয়েছে। আপনি কী বলবেন?
দেখুন, আমরা সিনেমায় স্মার্ট পুলিশিং দেখিয়েছি। বাস্তবে যা ঘটে এর বাইরে কিছুই দেখায়নি। হয়তো উপস্থাপনটা একটু স্মার্টলি করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু এর বাইরে অনেকগুলো চরিত্র আছে, যা আমরা ভালোভাবে তুলে ধরতে পারিনি। আর এ কারণেই আমরা সিনেমাটির দ্বিতীয় সিক্যুয়েল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দর্শকদের বলছি, ঢাকা অ্যাটাক চলচ্চিত্রটির গল্প বলা এখনও শেষ হয়নি। দ্বিতীয় সিক্যুয়েলের মাধ্যমে আমরা পুরো গল্পটা শেষ করবো। মাহীর অভিনয় নিয়ে যে প্রশ্নটা উঠেছে তখন সেটার উত্তর পেয়ে যাবেন।
‘ঢাকা অ্যাটাক ২’-তে বিশেষ আকর্ষণ কী থাকছে? কাজ কবে শুরু করবেন?
আমার কাছে একটা সিনেমা ভালো-খারাপের চেয়ে জরুরি সিনেমাটি সফল কি-না। কারণ আমাদের এখানে এখন বিগ হিট দরকার। ঢাকা অ্যাটাক সেই সফলতার জায়গায় স্থান পেয়েছে। দর্শকদের এই গ্রহণযোগ্যতা আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ঢাকা অ্যাটাকের রেশ থাকতেই আশা করছি দ্বিতীয় সিক্যুয়েলের কাজ শুরু করতে পারবো। আর আমরা আমাদের দায়িত্ববোধ থেকেই কাজটি ভালোভাবে করার চেষ্টা করবো। আশা করছি ‘ঢাকা অ্যাটাক ২’ আরও বিগ হিট নিয়ে আসবে।

নতুন আরও একটি ছবি মুক্তির কারণে ঢাকা অ্যাটাক ১২৭ থেকে ৪৫ প্রেক্ষাগৃহে নেমে এলো। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?
অনেকদিন পর ডিপজল ভাইয়ের ছবি এসেছে। ছবিটির বিপরীতে আমরা যে ক’টা প্রেক্ষাগৃহে আছি সেটাই তো বড় আনন্দের বিষয়। তবে আমাদের বেশিরভাগ শো এখনও হাউজফুল হচ্ছে। কথা হচ্ছে, ডিপজল ভাইয়ের ছবিটি সুপারহিট হলে তো এই ইন্ডাস্ট্রি লাভবান হবে। ইন্ডাস্ট্রির একজন হিসেবে সেই লাভের ভাগ আমিও পাবো। আমি নিজেও ডিপজল ভাইয়ের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল। কারণ তারাই এই ইন্ডাস্ট্রির চাকা ঘুরিয়ে এতটা পথ নিয়ে এসেছেন। যে পথে আমি মাত্র পা রেখেছি। ফলে তার একটি ছবি মুক্তি পেলে সেটির প্রতি সিংহভাগ পরিবেশক, হল মালিক, দর্শকের সমর্থন থাকবেই। এটাই তো ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কের বড় সৌন্দর্য এবং আমি বিশ্বাস করি আবার যখন আমার কোনো নতুন ছবি মুক্তি পাবে তখনও সবার কাছ থেকে এই বিশ্বাস আর ভালোবাসাটা পাবো।
দেশীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে এখন নানা সংগঠন দেখা যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?
দেখুন, সিনেমা অনেক বড় ব্যাপার। আমি এখনও নতুন। সিনিয়রদের নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। শুধু এটাই বলবো, আমরা সবাই এক। একই পরিবারের। আমাদের কাজ এক। তাই প্রয়োজন সবাই একসঙ্গে কাজ করার। সবাই এক হয়ে কাজ করলে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি দ্রুত এগিয়ে যাবে।
ইত্তেফাক



