খেলা

আরেকটি বড় ব্যবধানে পরাজয়

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। এত বড় টার্গেট তাড়া করে জয়ের আশা হয়তো কারো মধ্যেই ছিলো না। কিন্তু প্রোটিয়া বোলারদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বাংলাদেশী ব্যাটসম্যনরা পরাজয়ের ব্যবধান কতটা কমাতে পারেন তাই নিয়ে ছিলো সবার আগ্রহ। কিন্তু সেই পরীক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়ে ১০৪ রানের পরাজয় বরণ করেছে বাংলাদেশ।
তৃতীয় উইকেটে ইমরুল কায়েসর সাথে মুশফিকুর রহীমের ৯৩ রানের জুটির পর আর কোন বড় জুটিই গড়ে ওঠেনি। এই জুটিই কিছুটা যা লড়াইয়ে রেখেছিলো মাশরাফি বাহিনীকে। কিন্তু দলীয় ১৬২ রানে ইমরান তাহিরের বলে এই জুটি ভাঙ্গার পর যেন মড়ক লাগে ইনিংসে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর তিনটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের স্কোর দাড়ায় ৫ উইকেটে ১৮৪ রান। এরপর বড় পরাজয়ের ব্যবধান কমাতে চেষ্টা করে লোয়ার অর্ডার।
বুধবার পার্লে রানের পাহাড় টপকানোর কঠিন লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তামিম-ইমরুল জুটির শুরুটা ভালোই ছিলো। কিন্তু দলীয় ৪৪ রানে তামিম বিদায় নেন ব্যক্তিগত ২৩ রানে। এরপর ৬৯ রানের সময় লিটন দাস(১৪) আউট হন। তৃতীয় উইকেটে ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করেন ইমরুল কায়েস ও তার সাথে যোগ দেয়া মুশফিকুর রহীম। প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া মুশফিক এদিনও খেলতে থাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে। কিন্তু দলীয় ১৬২ রানের সময় ইমরান তাহিরের বলে ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ইমরুল কায়েস। ৭৭ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৮ রান করেছেন এই ওপেনার। এরপর সাকিব আল হাসান ব্যক্তিগত ৫ রানে আউট হন। এবারও ঘাতক লেগস্পিনার ইমরান তাহির।
সঙ্গীদের একে একে বিদায় হতে দেখে মুশফিকের যেন আর তর সইছিলো না! প্রিটোরিয়াসের বলে তিনি ক্যাচ তুলে জেপি ডুমিনিকে। ৭০ বলে ৬০ রান করেছেন টেস্ট অধিনায়ক। দলীয় রান তখন ৫ উইকেটে ১৮৪। এরপর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৩৫) ছাড়া আর কেউ রান পাননি।
শেষ পর্যন্ত ৪৭ দশমিক ৪ ওভারে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ২৪৯ রানে। পরাজয়ের ব্যবধান ১০৪। প্রোটিয়াদের পক্ষে এন্দিল ফেহলুকওয়ে ৪০ রানে ৪টি ও ইমরান তাহির ৫০ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন। নয়া দিগন্ত

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button