রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মুখ খুলেছে যুক্তরাষ্ট্র
মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর সহযোগিতায় সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর স্থানীয় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ব্যাপক নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অন্যায় আচরণ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ধর্মীয় উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে।
পূর্ব এশিয়ায় মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যানিয়েল রাসেল বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় এসব মানুষ মৌলবাদের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। তিনি এই অন্যায় আচরণের সমালোচনা করে বলেন, মিয়ানমারের সহিংসতা চরমপন্থী জঙ্গিদের উসকে দিতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের মতে, মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর হামলায় অনেক রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হওয়ার পাশাপাশি হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ড্যানিয়েল রাসেল আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এই হামলা এখনই বন্ধ করা না হলে মিয়ানমার ‘সন্ত্রাসী’দের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে রাখাইন প্রদেশে পৌঁছেছেন কফি আনান। তার সাথে ৬ দেশীয় ও ৩ বিদেশী সদস্য বিশিষ্ট একটি পর্যবেক্ষণকারী দলও সেখানে গিয়েছে
এর আগে রাখাইন প্রদেশের মুসলিম রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সেনা সহযোগিতায় স্থানীয় বৌদ্ধদের বর্বর হামলার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।
রোহিঙ্গাদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্যাতনে বেশ বেকায়দায় পড়েছে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ক্ষমতাসীন অং সান সুচির দল। এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে কোনোরকম উচ্চবাচ্য না করায় সুচির নোবেল পুরষ্কার ফিরিয়ে নেয়ার দাবিও তোলা হয়েছিলো।



