
ভারত যেতে লাগবে না ভিসা কিংবা পাসপোর্ট। এ বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারত মিলে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে। জানা গেছে, শর্ট ট্রাভেল পারমিট নামের ওই প্রকল্প শীঘ্রই চালু হওয়ার ব্যাপারে আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সাথে শর্ট ট্রাভেল পারমিট প্রকল্প চালু রয়েছে। তবে ভারতের সাথে কখনো এ ধরনের সুবিধা চালু হয়নি। এ প্রকল্পটি চালু হলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যাগুলো কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ এর মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে এ প্রকল্পটি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
‘শর্ট ট্রাভেল পারমিট’ সুবিধা চালু হলে দু’দেশের সীমান্ত অঞ্চলে বসবাসকারী অধিবাসীরা তাদের আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করতে পারবে। যেহেতু বাংলাদেশের সীমান্ত আয়তনের বেশিরভাগ এলাকা জুড়ে ভারত সেহেতু ভারতের সাথে এই প্রকল্পটি চালু হলে দুই দেশের মানুষ উপকৃত হবে।
দুই দেশের নীতি নির্ধারকরা শর্ট ট্রাভেল পারমিট নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে এবং শীঘ্রই এ সুবিধাটি চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
সীমান্ত জটিলতার কারণে অনেক মানুষ তাদের আত্মীয় স্বজনদের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারে না। অবৈধভাবে সীমান্ত পারি দিতে যেয়ে বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারাতে হয় সাধারণ মানুষকে। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে ওই সুবিধাটি চালু হলে দুই দেশের মানুষের মাঝে সম্পর্ক বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।




