
সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের চাপাতির আঘাতে গুরুতর আহত সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিস এখন অনেকটাই সুস্থ। অবশেষে প্রায় ১০ দিন পর বৃহস্পতিবার তার লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে। ডাক্তাররা বলছেন, ক্রমেই খাদিজা আক্তার নার্গিসের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।
স্কয়ার হাসপাতালের মেডিসিন অ্যান্ড ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগের অ্যাসোসিয়েট মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মির্জা নাজিমউদ্দিন বলেন, ‘নার্গিসকে ২৪ ঘণ্টা লাইফসাপোর্ট ছাড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নার্গিগের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে সার্বিকভাবে নার্গিসের শারীরিক অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। যেহেতু গুরুতর আঘাত পেয়েছে তাই সময়টা একটু বেশি লাগছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তার শারীরিক অবস্থা আরও ভালো হবে।’
নার্গিসের চাচা আবদুল কুদ্দুস জানান, বুধবার দুপুরের দিকে নার্গিসের লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে। ডাক্তাররা প্রাথমিকভাবে লাইফ সাপোর্ট খুলে তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন। সন্ধ্যা নাগাদ বোঝা যাবে তার আর লাইফ সাপোর্টের প্রয়োজন আছে কি না। তাকে এখনো অক্সিজেন দেয়া হচ্ছে।’
এর আগে স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. এ এম রেজাউস সাত্তার বলেছিলেন, বুধবার রাতেই অল্পকিছু সময়ের জন্য ভেন্টিলেশন মেশিন খুলে ফেলা হয়েছে। ভেন্টিলেশন একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে রোগীকে শ্বাস-প্রশ্বাসে সাপোর্ট দেওয়া হয়। এটাকেই লাইফ সাপোর্ট বলে। আগে ধারাবাহিকভাবে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। সেটা যেহেতু সরিয়ে ফেললেো কোন সমস্যা হচ্ছে না। এটা একটা বড় ধরনের ইমপ্রুভমেন্ট।’
গত তিন অক্টোবর সোমবার বিকেলে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা দিয়ে এমসি কলেজ থেকে বেরিয়ে আসার সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম। এরপর থেকেই রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের আইসিইউ-তে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন আছেন খাদিজা আক্তার নার্গিস। এদিকে জেল-হাজতে রয়েছেন ঘাতক বদরুল।




