sliderরাজনীতিশিরোনাম

শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচারে গণশুনানি কমিশন গঠন করতে হবে-ব্যারিস্টার ফুয়াদ

পতাকা ডেস্ক : আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ শাপলা চত্বরে গণহত্যার বিচারে গণশুনানি কমিশন গঠন করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি আজ ৮ মে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে শাপলার শহীদগাঁথা ও ৫ মে গণহত্যার স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে একথা বলেন।
শাপলা স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক মাওলানা মামনুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন…. বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল কমিশনের সাবেক চীফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, জামায়েত ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির মূখপাত্র আসিফ মাহমুদ সহ আরো অনেকে।

এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, হেফাজতের ১৩ দফার সঙ্গে যে কারোর দ্বিমত থাকতে পারে, রাষ্ট্র সব দাবি মেনে নাও নিতে পারে। কিন্তু কোনো গণজমায়েতের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার অধিকার রাষ্ট্রের নেই।
৫ মে’র গণহত্যার বিচারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দাড়ি-টুপি দেখিয়ে গত ১৭ বছর ধরে যে জঙ্গি নাটক চালানো হয়েছে, জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন নতুনভাবে সেই পুরোনো ব্যর্থ সিনেমা আবার দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা কখনোই সফল হবে না।
শাপলা চত্বরের সেই ভয়াল রাতের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন যেখানে শহরের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে হিমশিম খায়, সেখানে ৫ মে’র রাতে শহীদদের রক্ত ও লক্ষ লক্ষ জুতা এক ঘণ্টার মধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সেই সময় গণহত্যায় অংশ নেওয়া পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনেকেই এখনো বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছে।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের স্বার্থে সরকারের প্রতি একটি গণশুনানি কমিশনগঠনের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ওলামায়ে কেরাম ও দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উগ্র গেরুয়া রাজনীতি ক্ষমতায় এসেছে। তারা সীমান্তের এপারেও উগ্রবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং কোনো উসকানির ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠান শেষে শাপলা স্মৃতি সংসদের আয়োজনে স্মরণ ও মূল্যায়ন শীর্ষক স্মারক গ্রন্থ “শহীদনামা’র মোড়ক উন্মোচন, তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণীর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button