
শিবগঞ্জ(চাঁপাইনবাবগঞ্জ)সংবাদদাতা:শিবগঞ্জে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের লীজ দেয়া বড় বড় পাঁচটি গুঠিসহ আম গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আব্দুল জলিল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তবে আব্দুল জলিল এঅভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি আমার নিজ জমির গাছ কেটেছি।
ঘটনাটি ঘটেছে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের মুসলিমপুর মাঠে। শাহাবাজপুর বীট মালিক রুহুল আমিন জানান,আমরা নিয়মমাফিক প্রকাশ্য ডাকের মাধ্যমে রাস্তার পাশে আম গাছগুলি শিবগঞ্জ উপজেলা বরেন্দ্র উন্নয়ন প্রকল্প অফিসের নিকট হতে লীজ নিয়ে আম ফল চাষ করে আসছি। কিন্তু আমাদেরকে কিছু না জানিয়ে মার্চ মাসের তৃতীয় সপ্তাহের শেষের দিকে মুসলিমপুর মাঠের পাঁচটি বড় বড় গুঠি সহ আম গাছ শ্যামপুর ইউনিয়নের আব্দুল জলিল কেটে নেয়। এ সংবাদ পেয়ে আমি ও আমার শেয়ারদার তাৎক্ষণিক বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প অফিসে মৌখিকভাবে অভিযোগ করি। কিন্তু এ পর্যন্ত অফিস থেকে আমাদের কোন সমাধান দেয়নি। এমনকি ঘটনাস্থল পরিদর্শণও করেনি।
রুহুলের শেয়ার দার কেতাব উদ্দিন বলেন, আমরা রুহুলের নামে শাহাবাজপুর এলাকার রাস্তার পাশে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের আধীনস্ত বড় বড় আম গাছ লীজ নিয়ে ভোগ দখল করে আসছিলাম। গত কয়েকদিন আগে শ্যামপুর ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের আব্দুল জলিল পাঁচটি বড় বড় গুটিসহ আম গাছ কেটে নেয়। এ ঘটনা আমরা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার সহকারী প্রকৌশলী মো: শহিদুল ইসলামের নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করলে তিনি কোথাও লিখিত অভিযোগ করতে নিষেধ করে তিনি বলেন আমরা ঘটনাটি দেখবো এবং সামনে টেন্ডার হওয়ার সময় আপনাদের পুষিযে দিবো ।
এব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী মো: শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খুব শীঘ্রই উভয় পক্ষের মধ্যে সমন্বয় করে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে মাপ করে সিদ্ধান্ত নিবো। যদি সত্যি আব্দুল জলিলের জমির উপর গাছগুলি ছিল, তবে আমরা রুহুল আমিনকে ক্ষতিপুৃরণ দিবো। আর যদি তার জমির উপর ছিল না বলে প্রমানিত হয়, তাহলে আমরা আব্দুল জলিলেরর বিরুদ্ধে মামলা করবো। এ সংবাদ লিখা পর্যন্ত কাটা আম গাছগুলি সরিয়া ফেলা হয়েছে এবং ঘটনাটি কোন তদন্তও হয়নি।




