sliderস্থানিয়

নাগেশ্বরীর সুখাতী বোর্ডঘরে ভেকু দিয়ে ফসলি জমির মাটি উত্তোলন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অমান্য করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের সুখাতী বোর্ড ঘর সংলগ্ন রনজিত মাস্টারের দুই ফসলী জমি থেকে অবাধে জমির মাটি কাটছে মাটি খেকো আলমগীর হোসেন। এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছে ইটভাটায়। এতে উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলী জমিগুলো। উপজেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে মাটি খেকো চক্র আলমগীর হোসেন ফসলি জমির মাটি অবাধে কাটছেন।

জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়নের প্রান্তিক চাষিরা বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলা করে জমিতে দুইবার ফসল চাষ করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটান। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, নাগেশ্বরী উপজেলার মাটি উর্বর, এঁটেল দোআঁশ প্রকৃতির। এ মাটিতে পানি নিষ্কাশন কম হয় বলে অল্প সেচেই ভালো ফসল ফলে। ধান,পাট,আখ,ভুট্টা ও শাকসবজি এই অঞ্চলের প্রধান ফসল ফলান কৃষকরা।

নাগেশ্বরী উপজেলার নেওয়াশী ইউনিয়ন পরিষদ (সুখাতী বোর্ড ঘর) পূর্ব সংলগ্ন ডাক্টার রতিকান্ত বাবুর ছেলে রনজিত মাস্টারের দুই ফসলী জমি থেকে অবৈধভাবে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটি কেটে এগারোমাথার জাহাঙ্গীর আলমের ইটভাটায় মাটি বিক্রি করছেন ভেকু মালিক আলমগীর হোসেন। ফলে পাকা রাস্তা নষ্ট হচ্ছে। মাটি খেকো ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন কৃষকদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে ৩ হাজার টাকায় ১হাজার মাটি কিনে নিয়ে ইটভাটাতে ১ হাজার মাটি ৮ হাজার থেকে ১০হাজার টাকা বিক্রি করছে। এতে তারা লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ফসলি জমি।

মাটি খেকো আলমগীর হোসেন জানান, চলতি মৌসুম তেমন ভেকুর ব্যবসা করতে পারনি। সাক্ষাতে কথা হবে।

নাগেশ্বরী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুজ্জামান রিশাদ এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন জাহান লুনা বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button