sliderস্থানিয়

সিংগাইরে ট্রেনিং না করিয়ে সরকারি টাকা লোপাট! আবেদন করেও মিলছে না তথ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আওতাধীন ৩২টি কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি গ্রুপের ট্রেনিং না করিয়ে সরকারি টাকা লোপাটের ঘটনা ঘটেছে। ৫৪৪ জন সদস্যের জন্য বরাদ্দকৃত পুরো টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ রুহুল আমিন ইকবাল ও কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মাধ্যমে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও কোন প্রকার তথ্য পাওয়া যায়নি।

অনুসন্ধ্যানে জানাযায়,উপজেলার ৩২টি কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রতিটিতে ১৭ সদস্যের আহবায়ক কমিটি রয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে তাদের ট্রেনিং বাবদ বরাদ্দ আসে। এ সময় প্রত্যেকটি কমিউনিটি গ্রুপকে ট্রেনিংয়ের জন্য জানানো হয়। পরবর্তীতে ট্রেনিং না করিয়ে বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ। এতে কমিউনিটি গ্রুপের মধ্যে ক্ষোপের সৃষ্টি হয়।

এ সকল তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে তথ্য অধিকার আইনে কতৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন স্থানীয় এক সংবাদকর্মী। সেখানে বরাদ্দকৃত টাকার পরিমান, ট্রেনিংয়ের তারিখ, নাস্তা, খাতা কলম ক্রয় বাবদ ব্যয়ের হিসাব চেয়ে গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি আবেদন করেন। ৩ মাস পার হলেও এ সংক্রান্ত কোন তথ্য সরবরাহ করেননি কতৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে হেড ক্লার্ক মো.মশিউর রহমানকে জিজ্ঞাস করলে তিনি জানান, হাসপাতালের ট্রেনিং সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিসংখ্যানবিদ রুহুল আমিন ইকবাল দেখেন।
পরিসংখ্যানবিদ রুহুল আমিন ট্রেনিংয়ের টাকা আত্মসাৎ এর কথা অস্বীকার করে বলেন আমি ছোট চাকুরি করি। চেক বা বাজেট আসলে ইউএইচও স্যারের নামে আসে । স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী আমি কাজ করি। কত টাকা বাজেট ছিল তাও আমি বলতে পারবো না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.রাফসান রেজা খান বলেন,আমার সময় এমন ঘটনা ঘটেনি। আমার পূর্বের কর্মস্থলে ট্রেনিং হয়নি,পরে ট্রেজারির মাধ্যমে টাকা ফেরৎ দিয়েছি । এখানে সিজি গ্রুপের ট্রেনিং সংক্রান্ত কোন নথি পাওয়া যায়নি বলেও তিনি জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button