
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: বোয়ালমারী থানার দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলায় চার ইউপি চেয়ারম্যান আসামী হয়েছেন। গত ৭ নভেম্বর বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন কালে
কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি, ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপ ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি, সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগ, বিএনপির অফিস ভাঙচুর, মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ৮ নভেম্বর রাতে বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়। মামলা নন্বর ১০-১১।
মামলায় গুনবাহা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলামকে ৫ নং, শেখর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. কামাল আহমেদকে ২২ নং,
সাতৈর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান রাফিউল আলম মিন্টুকে ১১২ নং, রুপাপাত ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান সোনা মিয়াকে ১৫০ নং আসামী করা হয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় বিস্ফোরক মামলা হয়েছে। একটি মামলার বাদী আমি। আমার প্রতিপক্ষের লোকজন আমাকে ৫ নাম্বার আসামি করেছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ বলেন, ঘটনার দিন আমি সহস্রাইল বাজারে ছিলাম। উপজেলা পরিষদের একটা প্রকল্প চলতেছে রাস্তার সহস্রাইল বাজারে সেই কাজের দেখভাল করতেছিলাম। ঘটনার দিন সকাল থেকে পরের দিন সকাল পর্যন্ত কাজ চলতেছিল রাস্তার। আমি সেই রাস্তার কাজের লিভারদের সাথে ছিলাম। আমাকে বিস্ফোরক মামলায় ২২ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
রুপাপাত ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান সোনা মিয়া বলেন, সংঘর্ষের দিন আমি বরিশাল ছিলাম। কিন্তু আমাকে বিস্ফোরক মামলার ১৫০ নং আসামি করা হয়েছে।
রাফিউল আলম মিন্টু ফোন রিসিভ না করাই তার বক্তব্য দেয়া সম্ভব হলো না।
তবে মামলার বাদী পক্ষের লোকজনের অভিযোগ, এই তিন চেয়ারম্যান তাদের লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্র লাঠি সোঠা নিয়ে পৌর বাজারে এসে নেতাদের সাথে মিশে তান্ডব চালাই।
অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষেরই মামলা হয়েছে। মামলার বাদী আসামি করেছে। মামলা তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে সবকিছু জানা যাবে।




