sliderস্থানিয়

কাপাসিয়ায় কাঠ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে আহত থানায় মামলা

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বরুন গ্রামের কাঠ ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন খানকে প্রতিপক্ষ শশুড় বাড়ির লোকজন পিটিয়ে আহত করেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন খান (৩৪) স্ত্রী, চাচা শশুড়সহ তিনজনকে আসামি করে ১ সেপ্টেম্বর সোমবার কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন, মামলা নং ১

আসামিরা হলেন—জাহাঙ্গীর হোসেন খান (৩৭(কোটবাজালিয়া গ্রামের কামাল উদ্দিন খানের ছেলে), মিলন খান (৫০) (একই গ্রামের মৃত হিম্মত খানের ছেলে) ও মাহমুদা খানম (৩৩) (একই গ্রামের মৃত কামাল উদ্দিন খানের মেয়ে)।

ভুক্তভোগী আলমগীর হোসেন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে গাছ কিনে টঙ্গীর বোর্ডবাজার এলাকার কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে আসছেন। গত ২৬ আগস্ট ব্যবসায়িক কাজে টঙ্গী গেলে এ সুযোগে তার স্ত্রী মাহমুদা খানম বাবার বাড়ি চলে যায়। পরে রাতে স্ত্রীকে ফেরত আনতে গেলে পারিবারিক কলহের জেরে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ওই সময় স্ত্রী মাহমুদা খানমের প্ররোচনায় জাহাঙ্গীর খান লোহার রড দিয়ে আলমগীরের মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে মিলন খান কাঠের লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একই সঙ্গে আলমগীরের পকেটে থাকা ব্যবসায়িক নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। আলমগীরের ডাক-চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা হুমকি দিয়ে যায় যে, ভবিষ্যতে আবার স্ত্রীকে আনতে এলে তাকে খুন করে গুম করে ফেলা হবে।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত আলমগীরকে প্রথমে বরুন বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরদিন শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

কাপাসিয়া থানার এসআই সোহাগ হোসেন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু হয়েছে।

এদিকে আসামি মাহমুদা খানমের মা গোলাপি দাবি করেন, “এটা পারিবারিক বিরোধ ছাড়া আর কিছু নয়। এখানে কোনো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।”
মামলার বাদী আলমগীর হোসেন খান বলেন আমার স্ত্রী মাহমুদা খানম ও শিশু সন্তান রাফিকে আটক করে রাখা হয়েছে। আমি নগদ টাকা ও আমার স্ত্রী এবং আমার সন্তানকে উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button